Menu

অভিভাবকের উৎসাহের কারণে সন্তান আজ সাফল্যের দারপ্রান্তে

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (মুনসুর রহমান তানসেন, কাহালু): সকল ভালো কাজে অভিভাবকের উৎসাহ-উদ্দিপনা থাকলে সকল কাজেই সন্তানেরা কৃতিত্ব অর্জন করে। চেষ্টা ও পরিশ্রমে আসে সফলতা। তেমনি একটি উদাহরন ভারতের পশ্চিমবঙ্গের উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জের দেবীনগরের বিশ্বজিৎ দাস ও স্ত্রী সোনালী দাস।

ওই দম্পত্তির রয়েছে জমজ দুটি কন্যা সন্তান। একজনের নাম বর্ণালী দাস আরেক জনের নাম চৈতালী দাস। একমাত্র পুত্র সন্তানের নাম সুদ্বীপ দাস। বিশ্বজিৎ দাস জানান, তার বাবা রেলের চাকুরী করতেন। সেই সুবাদে তিনি ঝারকান রাজ্যের ধানবাদ রেল কলোনীতে বাস করতেন। সেখানে ছোট-খাটো অনুষ্ঠানে চিত্রাংকন প্রতিযোগীতায় অংশ নিতেন। পরবর্তিতে তিনি ভারতীয় সেনাবাহিনীতে যোগ দেন। তিনি কর্ম জীবনে ছবি আঁকার তেমন সুযোগ না পেলেও আর্টের কাজে তার ঝোঁক ছিলো। তার স্ত্রী সোনালী দাস ছোট বেলা থেকেই করলা ও লাউয়ের বিচি দিয়ে আর্ট পেপারে নান্দনিক কিছু হাতের কাজ করতেন। ওই কাজ গুলো দেখে সবাই মুগ্ধ হতেন। যারফলে ওই দম্পত্তি তাদের জমজ দু-মেয়ে বর্ণালী দাস ও চৈতালী দাসকে চিত্রাঙ্কনে উৎসাহ-উদ্দিপনা যোগান।

পিতা-মাতার উৎসাহ-উদ্দিপনায় জমজ দু-বোন প্রায় ৩৬ টি মেডেল পেয়েছে। সম্প্রতি সর্বভারতীয় সঙ্গীত ও সংস্কৃতি পরিষদ নর্থ বেঙ্গল জোণাল কালচারাল প্রতিযোগীতায় চৈতালী প্রথম স্থান ও বর্ণালী তৃতীয় স্থান অধিকার করে। ওই জমজ দু-বোনের মধ্যে চৈতালী গোল্ডেন ও বর্ণালী ব্রঞ্জ প্রদকে ঘোষিত হয়েছে বলে জানা গেছে। চৈতালী ও বর্ণালী জানান, ছবি আঁকার কাজে আমরা দু-বোন সফল হয়েছি। আমাদের এই অর্জনের পিছনে সবচেয়ে বড় অবদান রয়েছে আমাদের পিতা-মাতার। আমরা যখন ৫ম শ্রেণীতে পড়াশুনা করতাম তখন থেকেই আমাদের জন্য রাখা হয়েছিলো আর্টের শিক্ষক। বর্তমানে জমজ ওই দুবোন রায়গঞ্জ সুরেন্দ্রনাথ মহাবিদ্যালয়ে ইংরেজী সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করছে।

অপরদিকে বিশ্বজিৎ এর একমাত্র পুত্র সন্তান সুদ্বীপ দাস সবে মাত্র ৭ম শ্রেণীতে পড়ছে। ইতিমধ্যে কম্পিউটার কম্পোজ প্রতিযোগীতায় সুদ্বীপও পুরুস্কৃত হয়েছে। মাত্র ১ মিনিটে সৃদ্বীপ কম্পিউটারে ২০ টি শব্দ কম্পোজ করতে পারে। সম্প্রতি রায়গঞ্জ দেবীনগর জাগরী থিয়েটার গ্র“পে গেলে বিশ্বজিৎ দাস তাদের সন্তানের কৃতিত্বের বিষয়ে এই প্রতিবেদককে জানান। বিশ্বজিৎ দাস আরো জানান, আমি এখন আবসরে রয়েছি। যারফলে সন্তানদের সফলতার জন্য আমি অনেক বেশী সময় ব্যায় করি। সন্তানদের সময় দেওয়ার পাশিপাশি জাগরী থিয়েটার গ্র“পে নাটকের কাজও করছি।

No comments

Leave a Reply

one × two =

সর্বশেষ সংবাদ