Menu

ইউপি নির্বাচনে নির্বাচিত হলে গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করবো-সাবেক চেয়ারম্যান রব্বানী

আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতলা:  ৩১জানুয়ারী আসন্ন বগুড়া সোনাতলা উপজেলায় ইউপি নির্বাচনে উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান গোলাম রব্বানী বলেছেন নির্বাচিত হলে গ্রামকে শহরে রুপান্তরিত করবো।
যিনি ২০১১সালে ইউপি নির্বাচনে সতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে দোয়াত কলম প্রতিক নিয়ে ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে তার নিকটতম প্রতিদন্দী প্রার্থীকে প্রায় ১৭শত ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত করে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
এরপর ২০১১ থেকে ২০১৬ইং সাল পযর্ন্ত ওই ইউনিয়নের দায়িত্বভার গ্রহণ করে। দায়িত্বভার গ্রহনের পর থেকে নানা মূখি উন্নয়ন কর্মকান্ডের কাজ করে অবহেলিত ইউনিয়ন কে একটি আধুনিক ইউনিয়নে রুপান্তরিত করার প্রানপণ চেষ্টা চালিয়েছেন।
৫ বছর দায়িত্বভার থাকা কালিন উল্লেখ্যযোগ্য অবদান সর্ম্পকে জানতে চাইলে তিনি এ প্রতিবেদককে জানান, ৫বছরে ইউনিয়নের প্রায় ৫০ কোটি টাকার বিভিন্ন উন্নয়ন ও জন বান্ধব কাজ করেছেন তিনি। একজন ইউপি চেয়ারম্যান এর বরাদ্ধের বাহিরে নিজ উদ‍্যেগের কথা বললে তিনি এ প্রসঙ্গে বলেন, আমি নিজ উদ্যেগে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রনালয় থেকে  অনেক প্রকল্প নিয়ে এ ইউনিয়নবাসীর ভাগ্য উন্নয়নে কাজ করেছে।
তার মধ্যে  উল্লেখ্য যোগ্য কাজ হলো, জোরগাছা ইউনিয়নের প্রায় সকল কাঁচা রাস্তা গুলো ইটের সলিং রাস্তায় রুপান্তর,প্রায় ১২শত লোকের ২০ কোটি টাকায়  দুই বছর মেয়াদের কর্মসংস্থান, স্কুল,শিক্ষা খাতে ব্যাপক উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নানা সহযোগিতা।
এছাড়াও মসজিদ,মন্দিরসহ বিভিন্ন সংগঠন,ক্লাব কে সহযোগিতাসহ রোগবালাই রোধে এ ইউনিয়নের ৬হাজার ৫শত সাধারন মানুষের উন্নত স্যানেটারী ব্যবস্থা নিশ্চিত করণ। প্রায় দুই শতাধিক অসহায় পরিবারের কন্যাদায়সহ অনুষ্টান করে সম্পূর্ণ করণ এবং দুঃস্থ মুক্তিযোদ্ধাদের সহায়তা প্রদান করা। সরকারে ভিজিডি,ভিজিএফ,কার্ডের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সহিত প্রকৃত অসহায় মানুষদের মাঝে খাদ্য সামগ্রী প্রদান।
গোলাম রব্বানী ২০১১ থেকে ২০১৬ ই্ং সালে চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করলেও ২০১৬ইং সালের নির্বাচনে ষড়যন্ত্র করে তাকে ৯শত ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত করে বলে অভিযোগ করেন। গত ২০০২ইংসালের নির্বাচনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন নিয়ে ধানেরশীষ প্রতিক নিয়ে প্রতিদ্বন্দিতা করে মাত্র ১৭০ ভোটের ব্যাবধানে পরাজিত যান।
এবার ইউপি নির্বাচনে  প্রথমবারের মতো বগুড়া সোনাতলা উপজেলার ৭ টি ইউনিয়নে ইভিএম পদ্ধতিতে ভোট গ্রহন হবে,
এব্যাপারে চেয়ারম্যান প্রার্থী গোলাম রব্বানী বলেন, যে হেতু এ নির্বাচনে ব্যালট এ জোড়করে সিল মারা,ও ব্যালট গননায় কারচুপি নেই, সেই হিসাবে  আমার নির্বাচনী এলাকার জনসাধারণ বিপুল ভোটে আমাকে নির্বাচিত করবে বলে আশা রাখি । কিন্তু একটি পক্ষ তারা বিভিন্ন হিউমাক্স ছড়াচ্ছে যে কোন কেন্দ্র ফলাফল সে খানে ঘোষনা না দিয়ে উপজেলা পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে ঘোষনা করবে । এমন কোন ঘটনা যাতে না ঘটে সেদিকে নির্বাচন সংশ্লিষ্টকর্মকর্তা ও আইন শৃঙ্খলা বাহিনী,ও দায়িত্বরত প্রিজাইডিং অফিসারদের সৎ ভুমিকা রাখার কথা বলেন তিনি। পরিশেষে  নির্বাচনে জয়ী হলে ইউনিয়ন কে নিয়ে তার ভাবনার কথা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এক কথায় আমি নির্বাচিত হলে গ্রামকে শহরে রুপান্তিরিত করতে যতেষ্ট ভূমিকা পালন করবো ইনশাআল্লাহ।

No comments

Leave a Reply

four × 5 =

সর্বশেষ সংবাদ