Menu

কাহালুতে আমন ধান ঘরে তুলতে বাস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (মুনসুর রহমান তানসেন, কাহালু বগুড়া): শষ্য ভান্ডার হিসেবে খ্যাত বগুড়ার কাহালু উপজেলার মাঠে মাঠে কৃষিকাজে বাস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। শুধু মাঠে মাঠে নয় ঘরে বাহিরে সবখানেই কৃষক/কৃষাণীরা ধান কাটা-মাড়াই ও রবি শষ্য লাগানোর কাজে নিয়োজিত রয়েছেন।

বিভিন্ন ফসলের জন্য উপযোগী ও উর্বর মাটি অত্র উপজেলায়। যারফলে এখানে কোনো জমিই পতিত রাখেনা চাষিরা। আমন ধান কাটা-মাড়াইয়ের সাথে সাথে রবি শষ্যের জন্য জমি তৈরী করে নিচ্ছেন চাষিরা। মাঠে মাঠে পুরুষরা আর নারীরা ঘরে বাড়ির উঠানে পুরুষের সাথে পাল­া দিয়ে করছেন গৃহস্থালীর কাজ। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায়, চলতি মৌসুমে ১৮ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধান অর্জিত হয়েছে।

ধানের ফলনও বাম্পার হয়েছে। সুত্রমতে এবার বিঘাপ্রতি গড়ে ১৫/১৬ মন ধান হয়েছে। ধানের বাজার মুল্যও মোটামুটি ভালো রয়েছে। চলতি মৌসুমে এখানে চাল উৎপাদনের লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছে ৬২ হাজার ১০৫ মেঃটন।

এদিকে সরকারিভাবে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ২৬ টাকা কেজি ধরে ২ হাজার ২০০ মেঃটন ধান ক্রয়ের জন্য লটারীর মাধ্যমে কৃষক নির্বাচন করা হয়েছে। লটারীতে যাদের নাম উঠেছে সেই কৃষক খাদ্য গুদামে ধান দিতে পারবে।

সুত্রমতে মাঠের অর্ধেকের বেশী ধান ইতিমধে কাটা-মাড়াই করা হয়েছে। এদিকে আলু, সরিষা ও সবজি লাগানোর জন্য মাঠের বাঁকী ধান ঘরে তুলতে বেশ তরিঘরি করেই কাজ করছেন চাষিরা। সুত্রমতে রবি শষ্য মৌসুমে প্রায় ৮ হাজার ২৫৫ হেক্টর জমিতে আলু, ৪ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা ও ৪৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা লাগানো টার্গেট রয়েছে।

ইতিমধ্যে রবি শষ্যের চাষাবাদের জন্য প্রায় ৯০৫ জন চাষিকে সরকারিভাবে বিনামুল্যে সার-বীজ দেওয়া হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসার আখেরুর রহমান জানান, কৃষিকাজে কোনো চাষি যাতে সমস্যায় না পড়েন সেই আমাদের লক্ষ সব সময়।

No comments

Leave a Reply

4 × 4 =

সর্বশেষ সংবাদ