Menu

কাহালুতে খাদ্যমুল্য বেশী ও গরুর দাম কম হওয়ায় হতাশ খামারীরা

কাহালু(বগুড়া) প্রতিনিধিঃ করোনা পরিস্থিতির মধ্যে আসন্ন কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে বগুড়ার কাহালু উপজেলায় খাদ্যমুল্য বেশী ও পশুর দাম কম হওয়ায় খামারীরা অনেকটা হতাশার মধ্যে রয়েছেন।

সংশ্লিষ্ট সুত্রমতে উপজেলায় গরু, ছাগল ও ভেড়ার খামার রয়েছে প্রায় ৪৪৫ টি। কোরবানীর বাজারে বিক্রিযোগ্য গরু রয়েছে ৭ হাজার ৯১৫ টি। আর ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ১ হাজার ৯৫৫ টি। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে বলা হচ্ছে খামারীদের কোন সমস্যা নেই।

তবে খামারী বলছেন খাদ্যমুল্য বেশী হওয়ায় পশু মোটা-তাজা করণে ব্যায় বেশী হলেও সেই তুলনায় লাভ হচ্ছেনা। তারপর আবার করোনার এই মুহুর্তে কমে গেছে পশু ক্রেতা। করে

কাহালু উপজেলার মহেষপুর গ্রামের খামারী মোঃ সুজাউল ইসলাম জানান, গরুর খাদ্য দেড় মাসের মধ্যে কয়েক দফা বেড়ে যাওয়ায় এবার গরুপ্রতি অনেক টাকা লোকসান হবে।

তারমতে বিগত দিনে একবিঘা জমির খড়ের মুল্য ছিলো ৮০০ টাকা। এখন সেই খড়ের মুল্য বৃদ্ধি হয়ে ২ হাজার টাকা হয়েছে। দেড় মাস আগে চিকন ভূষির বস্তার দাম ছিলো ১ হাজার ১২০ টাকা। সেই ভূষির দাম বেড়ে এখন ১ হাজার ৪৮০ টাকা হয়েছে। ১ হাজার ২০ টাকার খইলের বস্তা এখন ১ হাজার ৪৫০ টাকা। ১ হাজার টাকা বস্তা মোটা ভূষির দাম এখন ১ হাজার ৩৭০ টাকা।

ধানপূজা গ্রামের খামারী ফয়জুল কবির দুলু জানান, খাদ্যের মুল্য যেভাবে বেড়ে গেছে সেই তুলনায় গুরুর দাম বাড়েনি। তারমধ্যে করোনাকালীন সময়ে আগের চেয়ে কমে গেছে ক্রেতা।

এবি টাইলস এর খামারের পক্ষ থেকে জানানো হয় তাদের ফার্মের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে তাদের খামারে কোরবানীর উপযুক্ত গরু রয়েছে প্রায় ৬০ টি। তবে বেচাকেনা শুরু না হওয়ার লাভ লোকসানের বিষয়টি এই মুহুর্তে বলা যাচ্ছেনা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার জানান, খামারীদের তেমন কোন সমস্যা নেই। এখানকার খামারীরা সবাই ভালো অবস্থানে আছেন।

No comments

Leave a Reply

4 × 2 =

সর্বশেষ সংবাদ