Menu

কাহালুতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুরহাট স্বাস্থ্যবিধি মানতে অনীহা, খাজনাও দ্বিগুণ

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ করোনা পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে সরকারি বিধি নিষেধ মানার শর্তেবগুড়ার কাহালু উপজেলায় মোট পাঁচটি হাটে কোরবানির পশু বিক্রির অনুমতি দেওয়া হয়েছে। অনুমতি পাওয়া এই হাটগুলোতে ইতিমধ্যে জমে উঠেছে কোরবানির পশু কেনা-বেচা।

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পশু কেনা-বেচা জমে উঠলেও কোন কোন হাটে সরকারি বিধি নিষেধ মানা হলেও আবার কোন কোন হাটে সরকারি বিধি নিষেধ মানা হচ্ছেনা। উপজেলার কোরবানির পশুরহাট গুলো ঘুরে লক্ষ করা গেছে পৌর সদরের মাদ্রাসা মাঠে সরকারি বিধি নিষেধের উপর অনেকটা গুরুত্ব দিয়েই এখানে কোরবানির পশু কেনা-বেচা হচ্ছে। উপজেলার অনুমোদিত পাঁচটি পশুরহাটের মধ্যে তুলনা-মূলকভাবে এখানে খাজনাও অনেকটা কম।

অপরদিকে কাহালু মাদ্রাসা মাঠের হাটের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ কাহালুর বিবিরপুকুর হাটের খাজনা। এখানে ৪০০ টাকার খাজনা ১ হাজার টাকা আদায় করা হচ্ছে। উপজেলার কাহালু মাদ্রাসা মাঠ, বিবিরপুকুর, জামগ্রাম, দুর্গাপুর ও মালঞ্চা হাটে কোরবানির পশু বিক্রির অনুমতি রয়েছে।

এদিকে করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সরকারি বিধি নিষেধ মানাতে স্থানীয় প্রশাসন আন্তরিকভাবে চেষ্টা করলেও অন্যান্য স্থানের মত অনুমোদিত কোরবানির পশুরহাটেও মানা হচ্ছেনা সরকারি বিধি নিষেধ। অধিকাংশ হাটে দেখা মেলেনা ইজারাদারের সাথে। তবে হাটে যারা খাজনা আদায় করছেন তারা বলছেন আমরা হাটে হাত ধোয়ার ব্যাবস্থা করেছি এবং সবাইকে মাস্ক দিচ্ছি। আমরা মাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রচার করলেও কেউ শুনছেন আবার কেউ শুনছেন-না।

খাজনা বেশী নেওয়ার বিষয়ে আদায়কারীরা বলেছেন ইজারাদার যেভাবে বলেছে সেইভাবেই খাজনা আদায় করা হচ্ছে। বিবিরপুকুর হাটের ইজারাদার আলহাজ্ব আঃ রহিমের সাথে এবিষয়ে মোবাইল ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করলে একজন ফোন রিসিভ করে জানান, তিনি মোবাইল দোকানে রেখে চলে গেছেন। কাহালু হাটের ইজারাদারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে সরকারি বিধি নিষেধ মেনেই এখানে পশু কেনা-বেচা হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মাছুদুর রহমান জানান, খাজনা বেশী নেওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

No comments

Leave a Reply

twenty − 11 =

সর্বশেষ সংবাদ

নির্বাচিত সংবাদ