Menu

কাহালুতে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের করা অভিযোগের তদন্ত শুরু

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (মুনসুর রহমান তানসেন, কাহালু বগুড়া): সম্প্রতি কাহালু থেকে বদলী হওয়া উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে শিক্ষকদের করা অভিযোগের তদন্ত শুরু হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৯৮ জন শিক্ষক/শিক্ষিকার স্বাক্ষরিত অভিযোগটি গতকাল শনিবার তদন্ত করতে আসেন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম।

জানা গেছে ২০১৯ সালের ৩০ ডিসেম্বর কাহালুতে যোগদান করেন শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল আলম। তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগে মোট ১৭ টি অসঙ্গতি তুলে ধরা হয়।

উল্লেখযোগ্য অসঙ্গতির মধ্যে রয়েছে তিনি এখানে যোগদানের পর থেকে শিক্ষকদের ভয়ভীতি প্রদর্শন, মিথ্যা অযুহাতে বেতন কর্তনের চিঠি প্রদান, বিশাল অংকের টাকার বিনিময়ে শিক্ষকদের বদলী, শিক্ষিকাদের অশালীন, কুরুচিপূর্ণ ও নোংরা ভাষায় কথা বলে মানষিক নির্যাতন করা। মোট কথা তার অনৈতিক কথায় যারা সমর্থন করেনা তাদেরকে নানাভাবে হয়রানী করা হয়।

যারফলে কয়েক দফা আন্দোলন করেও কোন লাভ না হওয়ায় হয়রানীর শিকার ১৯৮ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা মিলে গত ১৩ অক্টোবর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক বরাবর মোঃ রফিকুল আলমের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করে।

শিক্ষকদের আন্দোলনে অল্টিমেটাম ও অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৪ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষ মোঃ রফিকুল আলমকে বদলী করে গাইবান্ধা জেলার সাগাটিয়া উপজেলায়। উপজেলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রধান শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক এ, কে, এম শামছুল আলমসহ একাধিক শিক্ষক/শিক্ষিকা জানান, আমাদের করা অভিযোগের সবগুলোই সত্য।

উপজেলা শিক্ষা অফিসার মোঃ রফিকুল আলম জানান, আমার বিরুদ্ধে করা অভিযোগ সম্পুর্ণ মিথ্যা। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারি পরিচালক মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, শিক্ষকদের দেওয়া অভিযোগের সুষ্ঠভাবে তদন্ত করা হচ্ছে।

No comments

Leave a Reply

twenty − 14 =

সর্বশেষ সংবাদ