Menu

কাহালুর ৮ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রচারণায় সম্ভাব্য প্রার্থীরা

কাহালু (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার কাহালু উপজেলায় একটি পৌরসভা ও নয়টি ইউনিয়ন পরিষদ রয়েছে। ইতিমধ্যে পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হলেও মেয়াদ শেষ হওয়া ৮ টি ইউনিয়নের নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক হয়নি। আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে অনেক আগে থেকেই সম্ভাব্য চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত মহিলা ও সাধারণ মেম্বার প্রার্থী চষে বেড়াচ্ছেন। নির্বাচনের দিনক্ষণের অপেক্ষায় তারা চেয়ে রয়েছেন। নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক হলেই তারা কোমর বেঁধে নির্বাচনি মাঠে নেমে পড়বেন। এদিকে নির্বাচনের দিনক্ষণ ঠিক না হলেও আগামী ডিসেম্বরের আগেই অত্র উপজেলার ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন হতে পারে এমন ধারনা থেকে সম্ভাব্য প্রার্থীরা গণসংযোগে সক্রিয় হয়ে উঠেছেন। সম্ভাব্য প্রার্থী ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে নিজ নিজ নির্বাচনি এলাকায় ব্যানার পোস্টার ও ফেস্টুন টাঙ্গিয়েছেন। উপজেলার নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে বর্তমানে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামীলীগ পরিবারের ৬ জন চেয়ারম্যান রয়েছেন। অপরদিকে দীর্ঘদিন ক্ষমতার বাহিরে থাকা বিএনপি পরিবারের ৩ জন চেয়ারম্যান রয়েছেন। মেয়াদ শেষ হওয়া ইউনিয়নে চেয়ারম্যান রয়েছেন বীরকেদার মোঃ ছেলিম উদ্দিন (বিএনপি নেতা), কালাই আবু তাহের সরদার হান্নান (সাবেক জেলা শ্রমিকলীগ নেতা), নারহট্ট রুহুল আমিন তালুকদার বেলাল (আওয়ামীলীগ নেতা), পাইকড় মোঃ মিটু চৌধুরী (আওয়ামীলীগ নেতা), মুরইল মোঃ হারেজ উদ্দিন (জেলা কৃষকলীগ নেতা), কাহালু সদর সহকারি অধ্যপক পিএম বেলাল হোসেন (যুবলীগ নেতা), মালঞ্চা মোছাঃ মর্জিনা বেগম (বিএনপি নেত্রী), জামগ্রাম আলমগীর আলম কামাল (বিএনপি নেতা)। এছাড়াও দূর্গাপুর ইউনিয়নের মেয়াদ শেষ হবে আগামী আগামী বছরের মে মাসে। এই ইউনিয়নে চেয়ারম্যান আছেন আওয়ামীলীগ নেতা বদরুজ্জামান খান বদের। অপরদিকে নির্বাচনের দিনক্ষণ এখনো ঠিক না হলেও মেয়াদ শেষ হওয়া ও মেয়াদ থাকা উপজেলার সব ইউনিয়নেই নির্বাচনি হাওয়া বইছে। সম্ভাব্য একাধিক প্রার্থীর সাথে কথা বলে জানা গেছে যারা বর্তমানে চেয়ারম্যান রয়েছেন তারাসহ প্রতিটি ইউনিয়নে আওয়ামীলীগ ও বিএনপির একাধিক মনোনয়ন প্রত্যাশী রয়েছেন। তারা নিজ নিজ এলাকায় সভা-সমাবেশ, খুলি বৈঠক করা সহ সমর্থক বাড়ানোর জন্য প্রতিদিনই গণসংযোগ করছেন। সেই সাথে দলীয় মনোনয়নের জন্য উপজেলা ও জেলা নেতাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছেন। এদিকে যুদ্ধাপরাধীর দায়ে নিবন্ধন হারানো জামায়াত প্রার্থীরা বসে নেই। তারা গোপনে সরকার বিরোধী প্রচারণাসহ উপজেলার কয়েকটি ইউনিয়নে প্রার্থী দিবেন বলে বিভিন্ন সুত্রে তথ্য পাওয়া গেছে। ইতিমধ্যে কালাই, বীরকেদার, মুরইল, নারহট্ট, মালঞ্চা ও কাহালু সদর ইউনিয়নে জামায়াত-শিবির নেতাকর্মীরা নানা সেবা মূলক কাজের আড়ালে তাদের সাংগঠনিক কর্মকান্ড চালাচ্ছে। ইতিমধ্যে মালঞ্চা, কালাই ও মুরইল ইউনিয়নে ভোটারদের শুভেচ্ছা জানিয়ে জামায়াত প্রার্থী পোস্টার সাঁটিয়েছেন। পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে তারা উপজেলার বিভিন্ন স্থানে বৈঠকেও মিলিত হচ্ছেন বলে সম্প্রতি আইন-শৃঙ্খলা মাসিক সভায় তুলে ধরেন এক আওয়ামীলীগ নেতা। তবে কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আমবার হোসেন জানান, জামায়াত-শিবিরের গোপন বৈঠকের তথ্য আমাদেরকে জানালে আমরা ব্যবস্থা নিবো। উপজেলা নির্বাচন অফিসার জিন্নাত আরা জলি জানান, আমাদের নয়টি ইউনিয়নের মধ্যে গত আগস্টে মাসে ৮ টি ইউনিয়নের মেয়াদ শেষ হয়েছে। তবে নির্বাচনের দিনক্ষণ বা কোন ধাপে নির্বাচন হবে সেই বিষয়ে এখনো কোন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।

No comments

Leave a Reply

three × 3 =

সর্বশেষ সংবাদ