Menu

কাহালু উপজেলা পরিষদ নির্বাচনঃ বিভিন্ন স্থানে অপ্রীতিকর ঘটনায় ইউপি চেয়ারম্যান আহত, দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতার-১

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (কাহালু প্রতিনিধি): বগুড়ার কাহালু উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সুরুজকে তুলে নিয়ে যাওয়া, অগ্নিসংযোগ, গুরুবিশা, দুর্গাপুর, শিলকওড় কল্যানপুর এলাকায় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে। নৌকার ও মটরসাইকেল এর সমর্থকদের মধ্যে মারপিটের ঘটনায় আহত হয়েছেন নারহট্ট ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন তালুকদার বেলাল ও কল্যানপুরের গোলাম রব্বানী নামের এক নৌকার সমর্থক। এদিকে বিভিন্ন স্থানের অপ্রীতিকর ঘটনা দমনে তাৎতক্ষনিকভাবে পুলিশের লাটিচার্জসহ ব্যপক তৎপরতায় সব এলাকা শান্ত হয়ে উঠে । অপরদিকে হাসুয়া ও চাকুসহ পুলিশ মাহফুজার (৩৭) নামের মটরসাইকেলের এক সমর্থককে গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে মাহফুজারের কাছে ৭ টি হাসুয়া ও একটি চাকু পাওয়া গেছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা হয়েছে। সতন্ত্র প্রার্থী আল হাসিবুল হাসান সুরুজ জানান, তিনি শনিবার রাত ৯ টার দিকে গুরুবিশা এলকা থেকে তাকে নৌকার সমর্থক দুর্গাপুর ইউপি চেয়ারম্যান বদরুজ্জামান খান বদের ও তার লোকজন তাকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে গিয়ে দুর্গাপুর একটি ঘরে আটকে রাখে। বদরুজ্জামান খান বদের জানান, সুরুজ আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন স্থানে আমার বিরুদ্ধে অনেক খারাপ বক্তব্য দিয়েছে। যারফলে তাকে বলা হয়েছে তুমি আমার বিরুদ্ধে খারাপ বক্তব্য দিচ্ছো সেগুলো দুর্গাপুর গিয়ে প্রমান করে দাও। না হলে আমার ভাবমূর্তি যেভাবে ক্ষুন্ন করেছে তার জনগনের সামনে পরিস্কার করো। এদিকে সুরুজকে তুলে নিয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে তার অসংখ্য সমর্থক দুর্গাপুরের দিকে ছুটে গেলে অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে পুলিশ ফোর্স দুর্গাপুর গিয়ে সকল লোকজন সড়িয়ে দিয়ে নিরাপদে সুরজকে সেখান থেকে ফেরত পাঠান। এঘটনায় সুরুজের সমর্থক ঐ রাতেই মিছিলসহ এসে উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরাফাত রহমানকে বিষয়টি অবগত করেন। অপরদিকে রাত ১২ টার দিকে উপজেলার শিলকঁওড় গ্রামে ও কল্যানপুর গ্রামে নৌকা ও মটরসাইকেল সমর্থকদের মধ্যে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এঘটনায় আওয়ামীলীগ নেতা ও ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন তালুকদার আহত হন। কল্যানপুরে নৌকার সমর্থক গোলাম রব্বানী আহত হন। এদিকে উল্লেখিত এলকায় ব্যাপক হট্টোগোলের খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে লাটিচার্জ করে উভয় পক্ষের সমর্থকদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ইউপি চেয়ারম্যান রুহুল আমিন তালুকদার জানান, চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজল নিজে উপস্থিত থেকে শিলকঁওড় নৌকার ক্যাম্পের চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করেছে। তাকে ও রব্বানীকে মারপিট করাসহ আমাদের কর্মি সেকেন্দোরের খরের পালায় অগ্নিসংযোগ করে। পরে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সহযোগীতায় আগুন নেভানো হয়। চেয়ারম্যান প্রার্থী কাজল জানিয়েছেন বেলাল চেয়ারম্যানের লোকজন বিভিন্ন ভাবে ভোটারদের হুমকি দিচ্ছে। যারা হুমকি দিচ্ছে তাদেরকে আমরা বিনয়ের সাথে বলেছি হুমকি না দেওয়ার জন্য। ভাবেভাবে বলতে গেলে তারা উত্তেজিত হয়ে হাতাহাতি করে। এদিকে তার সমর্থককে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেফতারের বিষয়টি জানিয়েছেন মাহফুজারের কাছে অস্ত্র পাওয়ার বিষয়টি মিথ্যা। তার কাছে একটি ছোট চাকু ছিলো পুলিশ বিষয়টিকে বাড়িয়ে বলছে। কাহালু থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শওকত কবির জানান, নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কেউ অপ্রীতিক ঘটনা ঘটানোর চেষ্টা করলে কাউকে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ আরাফাত রহমান জানিয়েছেন এখানে নির্বাচন সুষ্ঠ ও শান্তিপুর্ণ করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে কোঠর হওয়া নির্দেশনা দেওয়া আছে।

No comments

Leave a Reply

three × one =

সর্বশেষ সংবাদ