Menu

কাহালু-পাঁচপীর সড়ক ঝুঁকিপূর্ণঃ সামান্য বৃষ্টিতেই সড়কে হাটু পানি!

মুনসুর রহমান তানসেন কাহালু থেকেঃ বগুড়া তিন মাথা থেকে রেললাইনের দক্ষিণ পাশ দিয়ে কাহালু হয়ে পাঁচপীর মাজার পর্যন্ত যাওয়ার রাস্তাটি খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।

যারফলে যানবাহন চলাচলের অযোগ্য এই রাস্তা দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণীপেশার মানুষ বাধ্য হয়েই জীবন-জীবিকার ত্যাগিদে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই চলাচল করেন এই পথে। শহরমুখী হওয়ার একমাত্র এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কের বেহালদশায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন এবং বিরম্বনার শিকার হচ্ছেন।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের এই রাস্তা দিয়ে প্রতিদিন সিএনজি, ট্রাক, ইজিবাইকসহ শত শত যানবাহন চলাচল করে। যারফলে মাঝে-মধ্যে রাস্তাটি সংস্কার করা হলেও তা কোনই কাজে আসছেনা।

বিভিন্ন মিল কারখারনার মালামাল বহনের ধারণ ক্ষমতার অধিক বড় বড় ট্রাক চলাচলের ফলে অল্পদিনের মধ্যেই রাস্তাটি আবার নষ্ট হয়ে যায়। বগুড়া তিন মাথা থেকে তালোড়া পর্যন্ত রাস্তার যেখানে সেখানে সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় খানা-খন্দক।

এছাড়াও পরিকল্পনা মাফিক রাস্তার সংস্কার কাজ না হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে এই সড়কের বিভিন্ন স্থানে জমে থাকা পানি, সহজে হয়না নিস্কাশ্বন। রাস্তার বিভিন্ন অংশে জমে থাকা কাদা-পানির কারণে জনদূর্ভোগ লেগেই থাকে।

এই সড়কে চলাচল করা যানবাহন প্রতিনিয়িত বিকল হওয়াসহ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এই পথে নিদ্রিষ্ট স্থানে পৌছাতে সময় লাগে দ্বিগুণ। আর কখনো ট্রাক উল্টে গেলে এই পথে যানবাহন চলাচলই বন্ধ হয়ে যায়। সংশ্লিষ্ট সুত্রে পাওয়া তথ্যমতে বগুড়া তিনমাথা থেকে কাহালু চারমাথা পর্যন্ত প্রায় ১১ কিলোমিটার রাস্তাটির প্রস্থ ১৮ ফিট। আর কাহালু থেকে তালোড়ার দিকে যাওয়ার রাস্তাটির প্রস্থ মাত্র ১২ ফিট।

তথ্যমতে কাহালু থেকে তালোড়ার দিকে যাওয়া রাস্তাটির প্রস্থ ১৮ ফিট করার পরিকল্পনা থাকলেও বগুড়া থেকে কাহালু হয়ে দরগাহাটের দিকে যাওয়ার রাস্তাটি নতুন করে বর্ধিত করা হচ্ছেনা। এদিকে স্থানীয় ঠিকারদারসহ বিজ্ঞ মহলের মতে এই রাস্তাগুলো বর্ধিত ও মজবুত করা না হলে, কাজের কাজ কোনটাই হবেনা।

বগুড়ার সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আসাদুজ্জামান জানান, বগুড়া তিনমাথা থেকে কাহালু হয়ে দরগাহাট পর্যন্ত রাস্তার প্রকল্প তৈরী করে ১০ কোটি টাকা বরাদ্দ চেয়ে, মন্ত্রনালয়ে প্রস্তাবনা পাঠানো হয়েছে। আর কাহালু-পাঁচপীর সড়ক উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে করার প্রস্তাবও পাঠানো হয়েছে। আমাদের পাঠানো প্রকল্পগুলো অনুমোদন হলেই আগামী অর্থ বছরে রাস্তা দুটির কাজ আমরা করতে পারবো। তবে মানুষের সাময়িক দুর্ভোগের কথা ববেচনা করে, কৈচর ও বগুড়া তিনমাথায় আরসিসি ঢালাই করা হয়েছে। আর যেখানে খানা-খন্দক রয়েছে সেখানে ইট দিয়ে এসবি করা হচ্ছে। এই কাজটি হলে কিছুটা হলেও মানুষের দূর্ভোগ কমবে।

No comments

Leave a Reply

five × 1 =

সর্বশেষ সংবাদ