Menu

কাহালু পৌর মেয়র হেলাল কবিরাজের একমাত্র সন্তান সুরুজ উপজেলা নির্বাচনে প্রার্থী হতে চান

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (মুনসুর রহমান তানসেন, কাহালু প্রতিনিধি): জনপ্রিয় কাহালু পৌরসভার মেয়র আলহাজ্ব হেলাল উদ্দিন কবিরাজের একমাত্র সু-শিক্ষিত সন্তান জেলা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক আল হাসিবুল হাসান সুরুজ আগামী উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হতে চান। আগামী উপজেলা নির্বাচনকে সামনে রেখে সুরুজ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ব্যপক গণসংযোগ শুরু করেছেন। জনসাধারনকে শুভেচ্ছা ও দোয়া চেয়ে তার পোস্টাল উপজেলার প্রতিটি গ্রামে গ্রামে লাগানো হয়েছে। তার পক্ষে উপজেলার অধিকাংশ এলাকায় তার পিতা আলহাজ্ব হেলাল কবিরাজসহ আওয়ামীলীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মিরাও ব্যপক প্রচার-প্রচারনা চালাচ্ছেন। এলাকায় কাহালুর সুনামধন্য কবিরাজ পরিবারের একটি ঐতিহ্য আছে। কবিরাজের পুর্ব-পুরুষ থেকে নতুন প্রজন্মের অনেকেই এখানে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিষ্ঠিত। এক প্রকার বলতে গেলে এলাকার প্রায় সকল কর্মকান্ডে কোনোনা কোনোভাবে কবিরাজ পরিবারের লোকজনই নেতৃত্বে দিয়ে আসছে। অপরদিকে বঙ্গবন্ধু স্বপরিবারে ঘাতকের বুলেটে নিহত হওয়ার পর আওয়ামীলীগের ভয়াবহ দুঃসময় নেমে আসে। সেই দুঃসময় থেকে হেলাল কবিরাজ এখানে আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে দিয়ে আসছেন। তিনি দীর্ঘদিন যাবত উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদকের দায়িত্ব নিষ্ঠার সাথে পালন করেছেন। তিনি উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হিসেবে দীর্ঘ কয়েক বছর থেকে অদ্যবধি দায়িত্ব পালন করে আসছে। হেলাল কবিরাজ উপজেলার প্রায় সকল মানুষের কাছে আওয়ামীলীগের একজন পরীক্ষিত নেতা বলেই পরিচিত। যারফলে কাহালু পৌর সভা নির্বাচনে পর পর দুবার তিনি বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হয়ে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকাকে নান্দনিকভাবে সাজিয়েছেন। আগামী উপজেলা নির্বাচনে সাধারন মানুষের মধ্যে হেলাল কবিরাজকে নিয়ে ভাবনা থাকলেও তিনি পৌরসভার মেয়র থাকায় উপজেলা নির্বাচনে অংশ নিবেন-না। যারফলে রাজপথে থেকে সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করা তার একমাত্র সুযোগ্য ও সু-শিক্ষিত ছেলে আল হাসিবুল হাসান সুরুজকে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী করার লক্ষে নিয়ে বিভিন্ন এলাকা চষে বেড়াচ্ছেন। সুরুজ ২০০৪ সালে কাহালু উচ্চ বিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। তিনি ইতিমধ্যে বিবিএ ও এমবিএ পাশ করেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাতকারে সুরুজ জানান, আমি আমার পরিবার কাছ থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাসী হতে শিখেছি। যারফলে আওয়ামীলীগের দুঃসময়ে স্কুল কিমিটির সভাপতির দায়িত্ব নিয়ে উপজেলা ছাত্রলীগের সকল কর্মসূচীকে আমি সফল করেছি। সেই সময় বিএনপি-জামায়াত সরকার বিরোধী আন্দোলনে মাঠে-ময়দানে থেকে আমি বলিষ্ঠ ভুমিকা রেখেছি। যারফলে বিএনপি-জামায়াত সরকারের শেষ সময়ে ছাত্রলীগ করার কারনে আমার নামে ৬ টি মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়। এছাড়াও বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীদের হামলার শিকারও আমি হয়েছি। ২০১৩ সালে উপজেলা ছাত্রলীগের কমিটিতে আমি প্রবেশ করি। ২০১৬ সালে জেলা ছাত্রলীগের সম্মেলন হওয়ার পর আমাকে বগুড়া জেলা ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক মনোনীত করা হয়। বিগত ১০ বছর নিজ এলাকায় বিএনপি-জামায়াতের সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় আমি রাজপথে থেকে কার্যকর ভুমিকা রেখেছি। তিনি আরো জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দেশরতœ শেখ হাসিনা প্রবীনদের পাশাপাশি তরুন নেতৃত্বের উপর বেশী গুরুত্ব দিচ্ছে। আমি আওয়ামীলীগ পরিবারের সন্তান হিসেবে ও রাজপথে থেকে সক্রিয় ভুমিকা রাখা একজন বঙ্গবন্ধুর আদর্শের তরুণ কর্মী হিসেবে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছি। তারমতে আমাকে দলীয় মনোনয়ন দিলে আমার পিতার জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে আমি নৌকা প্রতিকের বিজয় নিশ্চিত করতে পারবো।

No comments

Leave a Reply

two + one =

সর্বশেষ সংবাদ