Menu

গাবতলিতে অনুষ্ঠিত হলো ৮ষ্ট প্রহর ব্যাপী শ্রী কৃষ্ণের লীলাকির্তন 

বগুুড়া জেলা প্রতিনিধি ঃ বগুড়ার গাবতলি উপজেলার নেপালতলি ইউনিয়নের ৬ই ফেব্রয়ারী শনিবার চকরাধিকা মহাশ্মশানে অনুষ্ঠিত হলো ৮ষ্ট প্রহর ব্যাপী ভগবান শ্রী শ্রী কৃষ্ণের লীলা কির্তন ও কালী পুজা৷

এই কির্তন অনুষ্ঠানে কির্তন পরিবেশন করলেন শ্রীমতি শান্তি রানী দাস ও তার দলেরা ৷এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন চকরাধিকা মহা শ্মশান কমিটির সকল সদস্যবৃন্দ ৷এ অনুষ্ঠানে ওই এলাকার প্রায় দু হাজার ভক্তবৃন্দ সুন্দরভাবে বসে কির্তন শ্রবন করে৷এ সময় ভক্তবৃন্দদের অশ্রুসিক্ত নয়নে হা গৌর প্রান গৌর বলে কেঁদে কেঁদে আলিঙ্গন করে৷

অনুষ্ঠানের আয়োজক চকরাধিকা মহা শ্মশান কমিটির সভাপতি শ্রী নারায়ন চন্দ্র রায় প্রতিনিধিকে বলেন দির্ঘদিন হলো বছরের এই দিনে আমরা হরিবাসর অনুষ্ঠান করে থাকি এবং হরিবাসর শেষে এখানে শ্মশান কালী মন্দির রক্ষিত শতাধীক বছরের পুরাতন মন্দিরে কালী পুজা অনুষ্ঠিত হয় ৷তিনি আরো বলেন এই অনুষ্ঠানের আসায় অত্র এলাকার প্রায় দশটি গ্রামের ভক্তবৃন্দ তাকিয়ে থাকে এবং প্রায় পাঁচ হাজার ভক্তবৃন্দদের পেট ভরে প্রসাদের ব্যবস্থাও আছে ৷

প্রবিন ব্যক্তি শ্রী নরেন্দ্রনাথ রায় বলেন আমি সহ আমার গ্রামের সবার প্রানের উৎসব মহা শ্মশানে হরিবাসরের এই অনূষ্ঠান ৷অনুষ্ঠানে আগত এক প্রবিন ভক্ত বলেন এটি আমাদের প্রানের উৎসব ৷ওই ইউনিয়নের চেয়াম্যান লতিফুর বারী মিন্টু বলেন আমি এই মহাশ্মশানের উন্নয়নে আগামীতে যাত্রী ছাউনি করে দেওয়ার চেষ্টা করব ৷

জেলা কৃষকলীগের সাধারন সম্পাদক মঞ্জুরুল হক মঞ্জু বলেন আপনারা এ দেশে কেউ সংখ্যালখু নয় এটি মনে রাখবেন ৷সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মি বিকাশ চন্দ্র স্বর্নকার বলেন আজকে মনটা ভরে গেল এ ভাবে ধর্মের প্রতি মনোনশীল থাকবেন মনে রাখবেন শ্মশান হলো মানুষের শেষ ঠিকানা ৷

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন আওয়ামীলিগ নেতা মশিউর রহমান রাঙ্গা ,ওয়ার্ড মেম্বার তোফাজ্জল হোসেন ,অর্জুন চন্দ্র দাস,প্রতাপ রায়,শ্যামল দাস,অরেন্দ্র রায়,মংলা দাস,ফনিন্দ্রনাথ ,নিশিকান্ত,অজয় ,নিতাই, শৈলেন প্রমুখ ৷

উক্ত অনুষ্ঠান স্বাগত বক্তব্য রাখেন চকরাধিকা শ্মশান কমিটির সভাপতি নারায়ন চন্দ্র রায় ৷অনুষ্ঠান শেষে ভক্তদের মাঝে প্রসাদ বিতরন করা হয় এবং রাতে কালীর পুজা অনুষ্ঠিত হয়

No comments

Leave a Reply

seven + three =

সর্বশেষ সংবাদ