Menu

গাবতলীতে অভিযুক্ত ধর্ষকের সাথে সন্তানের ডিএনএ মিল না থাকায় মামলার বাদী জেলে!

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (গাবতলী প্রতিনিধি): বগুড়ার গাবতলীতে কিশোরী ধর্ষন মামলায় আসামীর সাথে ডি এন এ পরীক্ষার রিপোর্ট না বনায় সন্তানের পিতার পরিচয় ও মামলা সুষ্ঠ্য তদন্তের স্বার্থে বাদীকে আটক করেছে আদালত। মামলা করাতে ও সহায়তায় করায় ১ দিন পর সাখাওয়াত হোসেন নামের ১ ব্যাক্তিকে ওয়ারেন্টমুলে আটকের পর বাদী জামিনে মুক্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে চলতি ২০১৯ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারী বগুড়া নারী শিশু স্পেশাল ট্রাইবুনাল-আদালত-২‘এ। মামলা সুত্রে জানাযায়, গাবতলী উপজেলা দুর্গাহাটা ইউনিয়নের নিজ দৃর্গাহাটা গ্রামের ঝাপু চন্দ্র মালির ১৩ বছরের মেয়ে পিংকি রানী ২০১৬ সালের ৭ জুলাই একই এলাকার মৃত চেনুর ছেলে সাহেব আলী (৫৫) ধারালো চাকুর ভয় দেখিয়ে ধর্ষন করে বলে অভিযোগ এনে গাবতলী মডেল থানায় একই সালের ১৪ ডিসেম্বর পিতা ঝাপু চন্দ্র বাদী হয়ে ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলা করেন। মামলার কিছুদিনপর কিশোরী পিংকি রানী গাবতলী উপজেলা সরকারী স্বাস্থ্যকম্পেক্রে একটি পুত্র সন্তান প্রসব করে। মামলাটি থানা থেকে এজাহার নামীয় একমাত্র আসামী সাহেব আলীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। আসামী সাহেব আলী পিংকি রানীর প্রসবকৃত সন্তানের পিতা নয় মম্মে ডি এন এ পরীক্ষার জন্য আদালতে আবেদন জানান। পর পর ২ বার ডি এন এ পরীক্ষায় আসামী সাহেব আলীর সাথে কিশোরী পিংকি রানীর প্রসবকৃত সন্তানের ডি এন এ’র কোন মিল না থাকায় আসামী পক্ষের কৌশলী এ্যাড, আব্দুল মান্নান ১৩ ফেব্রুয়ারী বগুড়া নারী শিশু স্পেশাল ট্রাইবুনাল-আদালত-২‘এর মাননিয় বিচারকের কাছে সন্তানের পিতার নাম ও পরিচয়, প্রকৃত ঘটনা, মামলা সুষ্ঠ বিচারের স্বার্থে বাদীকে ও এজাহারে দাখিলকৃত মোবাইল নাম্বার দেয়া ব্যাক্তি সাখাওয়াত হোসেন লিটনকে আটকের আবেদন করেন। আদালত বাদী ঝাপু চন্দ্র মালিকে আটক করে জেল হাজতে প্রেরন করেন। এবং সাখাওয়াত হোসেন লিটকে গ্রেফতারের জন্য ওয়ারেন্ট দেন। আদালত আগামী ১৩ মার্চ বাদী ও ভিকটিমের উপস্থিতিতে ডি এন এ রিপোর্ট পর্যালোচনা পুর্বক সি এস গ্রহনের বিষয়ে শুনানীর পরবর্তী তারিখ ধার্য করেন। ১৪ ফেব্রুয়ারী ধার্য তারিখ না থাকলেও বাদী পক্ষের লোকজন সাখাওয়াত হোসেন লিটনকে আদালতে ডেকে নিয়ে হাজির করালে আদালত তাকে গ্রেফতারী ওয়ারেন্ট মুলে জেল হাজতে প্রেরন করেন। বাদী ঝাপু চন্দ্র মালীকে পরবর্তী ধার্য তারিখ পর্যন্ত একজন বিজ্ঞ কৌসুলী এবং একজন স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তির জিম্মায় ৫ হাজার টাকা বন্ডে জামিন মঞ্জুর করেন। এব্যপারে মামলার আসামী পক্ষের এ্যাড, আব্দুল মান্নানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি উপরোক্ত সকল বিষয় গুলো নিশ্চিত করেন।

No comments

Leave a Reply

four × 1 =

সর্বশেষ সংবাদ