Menu

গাবতলীতে আদালতে বিচারাধীন মামলা থাকার পরও জমি থেকে ৩শত গাছতুলে ফেলার অভিযোগ

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আমিনুর ইসলাম): বগুড়ার গাবতলীতে আদালতে বিচারাধীন জমি থেকে প্রতিপক্ষরা জোরপৃর্বক বিভিন্ন প্রকার গাছ তুলেনিয়ে গিয়ে ইয়াছিন আলীর নামের এক ব্যাক্তির দেড় লাখ টাকার ক্ষতি করেছে।

থানায় দায়েরকৃত অভিযোগে উয়াছিন আলী বলেছেন, তার পৈত্তিক সুত্রে প্রাপ্ত মহিষাবান ইউনিয়নের মড়িয়া মৌজার ২১২৫/২১২৬ দাগের আদালতে বিচারাধীন ৫৬ শতাংশ জমি দীর্ঘদিন ধরে ইউক্যালিপটার্স, মেহগনিসহ বিভিন্ন প্রকার প্রাং ৩শত গাছ লাগিয়ে ভোগদখল করছেন।

গত ১৫ জানুয়ারী প্রতিপক্ষরা রোপনকৃত গাছগুলো তুলে নিয়ে যায়। এতে করে ইয়াছিন আলীর দেড় লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে থানায় অভিযোগ দিয়েছেন। এই জমিনিয়ে মহামান্য হাইকোর্টে বাটোয়ারা মামলা বিচারাধীন রয়েছে।

উক্ত জমিথেকে প্রতিপক্ষগন জোরপুর্বক মাটি কেটে নিয়েযাওয়ার চেস্টা করা হলে তাতে বাধা প্রদানের ফলে বগুড়া অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইয়াছিন বাদী হয়ে ছপিলা বেগমসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে একটি মামলা করেন।

আদালত থেকে উক্ত জমিতে ১৪৪ ধারা নিশেধাজ্ঞা জারি করেন। মামলাটি তদন্ত করার জন্য আদালত থেকে গাবতলী সহকারী কমিশনার (ভুমি) কর্মকতৃাকে নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত করার জন্য ভুমি অফিসের সার্ভেয়ার ঘটনার পরিদর্শন করেছেন।

গাবতলী মডেল থানার এএসআই কাজেম আলী অভিযোগ তদন্ত ও ১৪৪ ধারা জারির প্রক্কালে ঘটনার সত্যতা পেয়েছেন বলে বাদী পক্ষ জানিয়েছে।

এব্যপারে মহিষাবান ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য আব্দুস সালাম সরকার দুদু জানান, ইয়াছিন আলী মড়িয়া মৌজার ৫৬ শতাংশ জমিতে বিভিন্ন প্রকার গাছ লাগিয়ে ছিল। সেগুলো গাছ প্রতিপক্ষগন তুলে নিয়ে গেছে বলে বাদী পক্ষ তাকে জানিয়েছেন।

লাঠিসোটা দা নিয়ে জোরপুর্বক জমিতে প্রবেশ করে জমি দখলের উদেশ্যে ৩ শত গাছ তুলে দেড় লাখ টাকার ক্ষতির অভিযোগ এনে ইয়াছিন আলী বাদী হয়ে থানায় আব্দুল, বাদশা, অমিদ, মোজাফফর, জিকো, আনিছারের বিরুদ্ধে আবারো একটি অভিযোগ দিয়েছেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে এএসআই কাজেম আলী ঘটনার স্থান পরিদর্শন করেছেন।

No comments

Leave a Reply

fifteen − 13 =

সর্বশেষ সংবাদ