Menu

গাবতলীতে এক যুগ ধরে ঈদগাহ মাঠের হিসাব না দেয়ায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়া গাবতলীর মহিষাবান কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠ এর সদ্য সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) আবুল কালাম আজাদ দীর্ঘ ১২বছর যাবৎ আয়-ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় গতকাল শুক্রবার স্থানীয় মাদ্রাসায় প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নব-নির্বাচিত সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আমিনুল ইসলামের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন অত্র এলাকার মহিষাবান ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান মোতাহার হোসেন মন্ডল, মহিষাবান ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহিম মোল্লা, সাংগঠনিক সম্পাদক আবু হাসান,

উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সহ-সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, স্থানীয় ইউপি মেম্বার শাহজাহান আলী, গন্যমান্যদের মধ্যে আলহাজ¦ আব্দুল কুদ্দুস, ডাঃ আব্দুর রাজ্জাক, ইট ভাটা ব্যবসায়ী আবুল কালাম আজাদ, আশরাফুল ইসলাম রুবেল, আব্দুস শুকরা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন মোফাজ্জল হোসেন মাস্টার, আরিফুর রহমান, মিঠু আকন্দ, সুলতান মাহমুদ, আবু বক্কর, এনামুল হক, শরিফুল ইসলাম, রবিউল ইসলাম, আবু সাঈদ, মিলন সরকারসহ ওই ঈদগা মাঠের মুসুল্লীগণ।

প্রতিবাদ সভায় বক্তগণ বলেন, মহিষাবান কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠ ঐতিহাসিক ঈদগা মাঠ। এই মাঠে এক সঙ্গে প্রায় ৭/৮ হাজার মানুষের জমায়েত হয়। এমনিভাবে ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীরা এই ঈদগা মাঠে প্রাণ খুলে দান খয়রাত করে থাকেন।

দীর্ঘ প্রায় ১২বছর যাবৎ হলে এলাকার প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) আবুল কালাম আজাদ ঈদগা মাঠের সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসলেও কোন প্রকার আয় ব্যয়ের হিসাব না দেয়ায় ধর্মপ্রাণ মুসুল্লীদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়টি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আমিনুল ইসলামসহ এলাকার অনেকে তাঁর কাছে থেকে হিসাব চাওয়া হলেও তিনি (কালাম) কোন কর্নপাত করে না। ফলে গত ২১মে/২১ ঈদগা মাঠের মুসুল্লীগণ ও এলাকাবাসিকে ডেকে ওই কমিটি ভেঙ্গে দিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ¦ আমিনুল ইসলামকে সভাপতি ও নুরুল ইসলাম মন্ডলকে সাধারণ সম্পাদক করে ১২১সদস্য বিশিষ্ঠ নতুন কমিটি গঠন করা হয়।

প্রতিবাদ সভায় বক্তগণ আরো বলেন, প্রায় ১২বছরে ঈদগা মাঠের ২০/২২লাখ টাকা আয় হতে পারে। আরো বলেন, আবুল কালামের এখনো সময় আছে ঈদগা মাঠের মুসুল্লীগণকে হিসাব বুঝে দেয়ার। তার পরও হিসাব না দিলে প্রকৌশলী আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ ব্যাপারে মহিষাবান কেন্দ্রীয় ঈদগা মাঠ এর সদ্য সাবেক সভাপতি প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) আবুল কালাম আজাদ এর সাথে মোবাইল ফোনে কথা বললে তিনি জানান, ঈদগা মাঠের মুসুল্লীগণের সর্ম্থনে আমি প্রায় ১০/১২বছর হলে সভাপতির দায়িত্ব পালন করে আসছি এবং নিয়মিত আয় ব্যয়ের হিসাব দিয়েছি। তাছাড়া ৩জনের নামে একটি ব্যাংক হিসাব রয়েছে।

তিনি (কালাম) আরো বলেন, করোনা’র কারনে ঈদগা মাঠে নামাজ না হওয়ায় কয়েকবার হলে হিসাব দেয়া হয়নি। প্রকৌশলী (ডিপ্লোমা) আবুল কালাম আজাদ বলেন, আমি ইউপি চেয়ারম্যান নির্বাচন করার কথা ঘোষনা দেয়ায় আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে।

No comments

Leave a Reply

9 − 7 =

সর্বশেষ সংবাদ