Menu

গাবতলীতে গৃহবধুকে ধর্ষনের ও এসিড নিক্ষেপ চেষ্টাঃ গ্রেফতার-১

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আমিনুর ইসলাম, গাবতলী প্রতিনিধি): বগুড়ার গাবতলীতে বিভিন্নভাবে কু-প্রস্তাব দিয়ে ব্যার্থ হয়ে গৃহবধুকে ধর্ষনের ও এসিড নিক্ষেপে ঝলসে দেয়ার চেষ্টা মামলায় থানা পুলিশ মজনু মিয়া (৩৭)কে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। সে নেপালতলী ইউনিয়নের তেরপাখি গ্রামের মৃত ওসমান আকন্দের ছেলে।
গাবতলী মডেল থানায় তেরপাখি গ্রামের ওই গৃহবধু বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলায় বলেছেন, তার স্বামী কর্মের কারনে বাহিরে থাকেন। এই সুবাদে আসামী মজনু মিয়া গৃহবধুকে মাঝে মধ্য কু-প্রস্তাব দেয়। এতে সে রাজী না হওয়ায় মজনু মিয়া বড় ধরনের ক্ষতিসহ এসিড নিক্ষেপ করে শরীর ঝলসে দেয়ার হুমকি দেয়। এর ধারা বাহিকতায় ওই গৃহবধুর স্বামী বাহিরে থাকার সুবাদে ৮ জুলাই ঘটনার রাত ১১ বাথরুমে বের হলে এসময় আসামী মজনু মিয়া দরজা খোলা পেয়ে ঘরে লুকিয়ে থাকে। গৃহবধু বাথরুম থেকে এসে দরজা বন্ধকরে শুয়ে পড়ে। ঘরে লুকিয়ে থাকা মজনু তাকে জোর পূর্বক শ্লীলতাহানি ও ধর্ষনের চেষ্টা করে।

গৃহবধু চিৎকার দিলে মজনু দরজা খুলে পালিয়ে যায়। এঘটনায় পরদিন সকালে গ্রাম্য বিচার ডাকলে আসামী মজনু তার লোকজন নিয়ে এসে এসিড নিক্ষেপসহ বিভিন্ন হুমকি প্রদান করে। পরবর্তিতে সিএনজি যোগে ওই গৃহবধু বগুড়া শহরের যাওয়ার পথে মজনু মিয়া তার বাড়ির সামনে সিএনজির পথরোধ করে গৃহবধুকে এসিড নিক্ষেপ করলে লক্ষভ্রষ্ট হয়। সিএনজি থেকে নেমে দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় মজনুসহ অন্যান্য আসামীরা গৃহবধুকে এলোপাথারী মারপিট করে আহত করে। পড়নের কাপড় খুলে শ্লীলতাহানি ঘটায়।

সাথে থাকা ল্যাপটপ ভাংচুর, নগদ ৪৭ হাজার ৫ শত টাকা, মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে ১ লাখ ২২ হাজার ৫ শত টাকার ক্ষতি করে মর্মে মামলার এজাহারে উল্লেখ করেছেন। ৯ জুলাই এঘটনায় ওই গৃহবধু বাদী হয়ে মজনু মিয়াকে প্রধানকরে ৭ জনের নামে থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। রাতে পুলিশ প্রাধান আসামী মজনু মিয়াকে গ্রেফতার করে পরদিন জেল হাজতে পাঠিয়েছে। গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি মামলার সত্যতা স্বীকার করেন। আসামী মজনু মিয়াকে গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে প্রেরন করেছেন। অন্য আসামীদের গ্রেফতার করার জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহ আছে বলেও জানান। মামলা তদন্ত চলছে।

No comments

Leave a Reply

3 × 2 =

সর্বশেষ সংবাদ