Menu

গাবতলীতে নিখোঁজের ৫ দিন পর যুবকের ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধারঃ আটক -১

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আমিনুর ইসলাম): বগুড়ার গাবতলীতে নিখোঁজ হওয়ার ৫ দিনপর ডোবা থেকে পুলিশ দাদন ব্যবসায়ী শামীর হোসেন’র ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে প্রেরন করেছে।

থানা ও এলাকা সুত্রে জানাগেছে, গাবতলী উপজেলার নশিপুর ইউনিয়নের নিজগ্রামের শাহাদৎ হোসেনের ছেলে এলাকার দাদন ব্যবসায়ী শামীম হোসেন (২৪) ৬ নভেম্বর রাত ৮ টায় বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। পরদির ৭ নভেম্বর তার মামা মহিদুল ইসলাম থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেন।

৯ নভেম্বর সকালবেলা গাবতলী উপজেলার মহিষাবান সোনাকানিয়া একটি বিলের ডোবায় কচুরী পানায় নিচে স্থানীয়রা একটি লাশ দেখতে পেয়ে থানায় সংবাদ দিলে পুলিশ এসে ডোবাথেকে লাশ উদ্ধার করে।

দেখা যায় লাশটি ৫ দিন আগে নিখোঁজ হওয়া দাদন ব্যবসায়ী শামীম হেসেনের। শামীমকে জবাই করে হত্যার পর, দুবৃর্ত্তৃরা নাক মুখ ও কানকেট শরীরে বিভিন্ন জায়গায় ছুরিকাঘাতে ক্ষত-বিক্ষত করেছে।

হত্যার পর ঐ ডোবায় কচুরী পানার নিচে একটি বাশেঁর সাথে লাশ বেঁধে রাখা ছিল। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া মর্গে প্রেরন করেছে।

নিহত শামীমের স্বজনরা জানায়, মামা মহিদুল ইসলামের মাতৃছায়া নামক একটি সমিতিতে শামীম কিস্তি আদায়ের কাজ করতো।

পরে শামীমের মায়ের পরামর্শে শামীম এক মাস পুর্ব থেকে নিজেই এলাকায় চড়া সুদে টাকা দিয়ে দাদনের ব্যবসা শুরু করে।

দাদন ব্যবসার সুদের টাকা নিয়ে এলাকায় কতিপয় ব্যাক্তির সাথে শামীমের বিরোধ চলে আসছিল। তারাই শামীমকে খুন করে করতে পারে বলে পিতা মাতা ও স্বজনরা ধারনা করছেন।

এ এব্যপারে গাবতলী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ নুরুজ্জামানের সাথে যোগাযোগ করা হলে হলে তিনি জানান, শামীম নামেন এক দাদন ব্যবসায়ীকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করা ক্ষত-বিক্ষত লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হায়েছে।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একই এলাকার মোজাফফর রহমানের ছেলে আতিকুর রহমানকে থানায় আনা হয়েছে। পিতা শাহাদৎ হোসেন ছেলে শাশীমকে হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা দিয়েছেন।

পুলিশ শামীমের মোবাইল নাম্বারের কল লিষ্টের সুত্র ধরে তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। হত্যাকারীরা দ্রুতই ধরা পরবে বলে ওসি নুরুজ্জামান আশা পোষন করেন।

No comments

Leave a Reply

three × five =

সর্বশেষ সংবাদ