Menu

গাবতলীতে বসতবাড়ী হামলাভাংচুর লুটপাট-ককটেল বিস্ফোরনঃ আদালতে বিস্ফোরক আইনে মামলা

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (গাবতলী প্রতিনিধি): বগুড়ার গাবতলীতে জমিজমা সংক্রান্তের জেরধরে আইসক্রিম ব্যবসায়ীর কাছে ১ লাখ টাকা চাঁদা না পেয়ে মধ্যযুগিয় কায়দায় সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে বসতবাড়ী ভাংচুর লুটপাটসহ ব্যাপক ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় আদালতে বিস্ফোরক আইনে ৯ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ২০/২৫ জনের নামে মামলা করা হয়েছে। মামলাসুত্রে জানাগেছে, গাবতলী উপজেলার মহিষাবান ইউনিয়নের পুর্ব মহিষাবান মাষ্টারপাড়া গ্রামের মৃত বাহার উদ্দীন মন্ডলের ছেলে আফজাল হোসেন মন্ডল বাদী হয়ে মামলার এজাহারে বলেছেন, জমিজমা বিষয়কে কেন্দ্র করে এজাহার নামীয় আসামীগন তাকে ও তার আইসক্রিম ব্যবসায়ী পুত্র’র কাছে বিভিন্নভাবে প্রভাব খাটিয়ে ১ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে আসছিল। চাঁদা না দিলে মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলহাজত বাস ও বসতবাড়ী উচ্ছেদ এবং পরিনাম ভয়াবহ হবেবলে হুমকি দিচ্ছিল। আসামীদের কথায় বাদী ও তার পুত্র রাজী না হয়ে প্রতিবাদ করলে, তাতে আসামী আব্দুল ওয়াহেদ তোতা আরো ক্ষিপ্ত হয়ে থানায় মামলা করে। পুলিশ বাদীর ছেলে মহিদুল ইসলাম ও বোন আকিমাকে পুলিশ গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠায়। এ কারনে বাদী আফজাল হোসেন মন্ডলসহ অন্যানরা চলতি ২০১৯ সনের ৫ মে বগুড়া আদালতে অবস্থান করার কারনে সুযোগবুঝে ঘটনার দিন ৫ মে সকাল সাড়ে ১০ টা হতে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত মামলার আসামী আব্দুল ওয়াহেদ ওরফে তোতা, আঃ হান্নান, জাহিদুল ইসলাম মিঠু, আঃ মালেক, মেহেদী, বাচ্চু, আলমগীর, আলতাফ, মাসুদসহ অজ্ঞাত ২০/২৫ মুখচেনা নাম না জানামাস্তান ও সন্ত্রাসী শ্রেনীর লোক রামদা, লোহার রড, চাকু, ডেগার, চাইনিজ কুড়াল, হাসুয়া, খন্তি, করাত, কুড়াল, দ্যা ইত্যাদি অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে বাদীর বসতবাড়ীতে জোরপুর্বক ঢুকে ককটেল বিস্ফোরন ঘটিয়ে ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এসময় বাড়ীতে থাকা বাদীর স্ত্রী সন্তান ও মহিলারা ভয়ে অন্যত্র পালিয়েগেলে আসামীরা তাদের মধ্যযুগিয় কায়দায় বসতবাড়ী ভাংচুর করতে থাকে। ৪ টি টিনের ঘর সম্পুর্নরুপে ভেঙ্গে পার্শ্বের ডোবায় ফেলে দেয়। এসময় আসামীগন ও বহিরাগত সন্ত্রাসীরা বীরদপের্ তাদের সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাতে থাকে। বাদীর জেলে থাকা আইসক্রিম ব্যাবসায়ীর ছেলে মহিদুলের আইসক্রিমভর্তি ২ টি ফ্রিজ ভেঙ্গে তছনছ করে, আইসক্রিম বিক্রির ২৫ হাজার টাকা, সো-কেচ ভেঙ্গে গরু বিক্রির ২ লাখ ২৫ হাজার টাকা চুরি, কাঠাল ও মেহগনি গাছ কেটে ৪৫ হাজার টাকার ক্ষতিসহ আসবাবপত্র বসতবাড়ী ভেঙ্গে ও ভাংচুর করে ১৫ লক্ষ টাকার ক্ষতি করে। এছাড়াও আসামীরা আসবাবপত্র কাপড় চোপরসহ ৪ লাখ ২ হাজার টাকার বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। ২য় ঘটনার দিন একই সালের ৯ মে রাতে বাদী ঘরের কাছে রক্ষিত খরের পালায় আগুন দরে দেয়বলে ১২ মে বগুড়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আলদালত-৪এ বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে ১৩৪ সি/২০১৯ (গাবঃ) মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে। আদালত মামলাটি এফ আই আর হিসেবে গন্য করার জন্য গাবতলী থানার ওসিকে নির্দ্দেশ দিয়েছেন বলে মামলার আইনজীবি এ্যাডভোকেট জাকিউল আলম সোহেল সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। আসামীরা বাদীকে বিভিন্নভাবে হত্যাসহ নানান হুমকি দিচ্ছেবলেও মামলায় বলা হয়েছে।

No comments

Leave a Reply

fourteen − twelve =

সর্বশেষ সংবাদ