Menu

গাবতলীতে মানবেতর জীবন যাপন করছে শতাধিক গ্রাম পুলিশ

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার গাবতলীত শতাধিক গ্রাম পুলিশ ইউনিয়ন পরিষদ অংশের ৭মাস যাবৎ বেতন ভাতা না পাওয়ায় মানবেতর জীবন যাপন করছেন। ফলে গতকাল বুধবার উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা মােছাঃ রওনক জাহান এর সাথে গ্রাম পুলিশরা দেখা করে দ্রæত বেতন ভাতা’র ব্যব¯া করার জন্য আবেদন জানান। জানা গেছে, উপজলার ১১টি ইউনিয়ন ১’শ ১১জন গ্রাম পুলিশ কর্মরত থাকলেও কিছু অবসর যাওয়ায় বর্তমান ১’শ ১জন দায়িত্ব পালন করছেন। এরা অর্ধেক সরকারী রাজস্ব থেকে আর অর্ধেক ইউনিয়ন পরিষদ থেকে অর্থাৎ ১% থেকে বেতন ভাতা পেয়ে থাকেন। এছাড়া সরকারীভাবে হাজিরা ভাতা পান তারা। কি সরকারী রাজস্ব থেকে অর্ধক বতন পলও দীর্ঘ ৭মাস যাবৎ হল ইউনিয়ন পরিষদ থক অর্থাৎ ১% থক বতন ভাতা না পাওয়ায় মানবতর জীবন যাপন করছন তারা। এ ছাড়া সাপ্তাহিক থানায় যাতায়াত হাজিরা ভাতা ২০১৭ সাল থক বকয়া রয়ছ বল গ্রাম পুলিশরা জানান। সকলই গ্রাম পুলিশ হলও প্রতিটি ইউনিয়ন একজন ইনচার্জ (দফাদার) এর বতন ভাতা মাসিক ৮হাজার ২’শ আর মহল্লাদার ৭হাজার ৭’শ টাকা বতন ভাতা পান। এই স্বল্প বতন ভাতায় পরিবার পরিজন নিয় চলাই কষ্টকর আবার সখান ৭/৮মাসর বকয়া থাক। অপর দিক বকয়া বতন ভাতা পরিশাধ করার জন্য গাবতলী উপজলা গ্রাম পুলিশর নতবদ সংশ্লিষ্ঠ দপ্তর আবদন করন। এর প্রক্ষিত ০৫.৫০.১০০০.০১০.৪৬.০৩৩.২০.১০৪৪ (৩) নং স্বারক বকয়া বতন ভাতা পরিশাধর জন্য গত ৬ডিসম্বর/২০ বগুড়া ¯ানীয় সরকার বিভাগর উপ-পরিচালক (ভারঃ) উজ্জল কুমার ঘাষ স্বাক্ষরিত একটি চিঠি গাবতলী উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তাক দয়া হয়। চিঠিত উল্লখ রয়ছ, ইউনিয়ন পরিষদর কর্মচারীগণর বতন-ভাতার ইউপি অংশ পরিশাধর ক্ষত্র ¯াবর সম্পত্তি হস্তাÍর করর ১% হত সংকুলন না হল হাট-বাজার ইজারালব্ধ আয়র ৪১% অর্থ হত পরিশাধর জন্য ¯ানীয় সরকার বিভাগ, ইউপি-২ শাখার ২৩নভম্বর/২০ তারিখর ৪৬.০১৭.০১৮.০০,০০৯.২০২১.৫২৯ নম্বর পত্র নির্দশনা প্রদান করা হয়। এ ছাড়া গ্রাম পুলিশ সমূহর ইউপি অংশর বতন-ভাতা ও সাপ্তাহিক থানায় যাতায়াত হাজিরা ভাতা অতিদ্রæত পরিশাধ কর অবহিত করার জন্য নিদর্শক্রম অনুরাধ করা হয়ছ। এর পরও গাবতলীত শতাধিক গ্রাম পুলিশ ৭মাস যাবৎ বতন ভাতা না পাওয়ায় মানবতর জীবন যাপন করছন। বিষয়টি সুরাহা’র জন্য সংশ্লিষ্ঠ উদ্ধর্তন কর্তপক্ষর সুদষ্টি কামনা করছন গ্রাম পুলিশরা। এ ব্যাপার গাবতলী উপজলা গ্রাম পুলিশর ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাদশা মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক শ্রী রমশ চদ্র এর সাথ কথা বলল তারা উপরাক্ত তথ্য নিশ্চিত কর বলন, আমরা ৭/৮ মাস হল বতন-ভাতা না পয় মানবতর জীবন যাপন করছি। এ ব্যাপার উপজলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাছাঃ রওনক জাহান এর সাথ কথা বলল তিনি জানান, ইউনিয়ন পরিষদ থক অর্থাৎ ১% থক য টাকা আস তা খরচা’র খাতও রয়ছ। তাই সময়মত তাদরক বতন-ভাতা দয়া যায় না। তার পরও আগামী সপ্তাহ তারা ২/৩ মাসর বতন ভাতা পাবন বল আশা করা হছ।

No comments

Leave a Reply

20 − nine =

সর্বশেষ সংবাদ