Menu

গাবতলীর কদমতলীকে নতুন ইউনিয়নের দাবিতে মানববন্ধন

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আমিনুর ইসলাম): বগুড়ার গাবতলী নেপালতলী ইউনিয়নের বিভক্ত অংশ কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ করার দাবিতে গতকাল ৪ নভেম্বর গাবতলী উপজেলা চত্বরে এলাকাবাসী এক মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করেছে।

জানাগেছে, উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়ন বিভক্ত করার দাবী ওঠে বিগত কয়েক বছর পুর্বে থেকে। ১৬ মৌজার, ৪২ বর্গ কিলোমিটারের আয়তনের এই ইউনিয়নে মোট জনসংখ্যা ৪৯ হাজার, ৯১৭ জন, ভোটার সংখ্যা ৩৩ হাজার ১৫৯ জন। স্থানীয় সরকার বগুড়ার উপ সচিব গত ৭ নভেম্বর ২০১৮ তারিখের চিঠিতে, নেপালতলী ইউনিয়ন পরিষদ বিভক্ত করে ডঙর / কদমতলী করার নির্দেশক্রমে অনুরোধ করেন।

এই প্রস্তাব প্রত্যাখান করে বিভক্ত নেপালতলী ইউনিয়ন পরিষদের এক অংশ কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ দাবি করা হয়। এলাকাবাসীর পক্ষে বেলাল উদ্দীন, চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারী ৩ হাজার লোকের গনস্বাক্ষর নিয়ে স্থানীয় সরকার, জেলা প্রশাসক, উপজেলা নির্বাহী অফিসারসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত আবেদন করেন।

এর প্রেক্ষিতে স্বানীয় সরকার বিভাগের উপসচিব ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৯ তারিখে স্বাক্ষরিত ৪৯৫ স্বারকে বগুড়া জেলা প্রশাসককে একটি চিঠি দেন। বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের স্বারক নং ৯২৩ তারিখ-২৭ আগষ্ট ২০১৯। তাতে বলা হয়েছে, বগুড়ার গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়ন পরিষদকে দুই ভাগে বিভক্ত করে নতুন একটি আলাদা ‘ডঙর’/ ‘কদমতলী’ ইউনিয়ন নামক ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের বিষয়টি স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন ২০০৯ এর ১১ ধারা অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসকের এখতিয়ারধিন। বর্নিতবস্থায় উল্লেখিত ধারা অনুযায়ী নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের পরবর্তী প্রয়োজনিয় ব্যবস্থা গ্রহনের নির্দেশক্রমে অনুরোধ করা হয়।

স্থানীয় সরকারের উপসচিবের এই অনুরোধ উপেক্ষা করে গাবতলী উপজেলা নির্বাহী আব্দুল ওয়ারেছ আনছারী ‘ডঙর’/ ‘কদমতলী’ বাদ দিয়ে আবেদন বিহিন সুখানপুকুরকে নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের প্রস্তাব পাঠান। এর প্রেক্ষিতে এলাকার জনসাধারন ফুসে উঠে ও ক্ষোভে ফেটে পড়েছে।

সুখানপুকুর নতুন ইউনিয়ন পরিষদ প্রস্তাব বাতিল ও কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের গতকাল দাবিতে ৪ নভেম্বর এলাকার লোকজন গাবতলী উপজেলা চত্বরে বিভিন্ন ব্যনার ফিষ্টুন নিয়ে মানববন্ধন করেছে। তারা বলেন, কোন আবেদন না থাকা সত্বেও সুখানপুকুরকে নতুন ইউনিয়ন পরিষদ গঠনের পক্ষে প্রতিবেদন পাঠান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা।

অথচ স্থানীয় সরকার উপসচিব তার চিঠিতে উল্লেখ করেছেন, ‘ডঙর’ /‘কদমতলী’কে নতুন ইউনিয়ন পরিষদ করার জন্য। এ ক্ষেত্রে কদমতলী ইউনিয়ন পরিষদ করার পক্ষে আন্দোলন কারীর পক্ষে বেলাল উদ্দীন জানান, এই প্রতিবেদন দেয়ার আগে এলাকা তদন্ত করে, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, গনশুনানী, সংশ্লিষ্ট চেয়ারম্যান, মেম্বারের মতামত নেয়া দরকার ছিল। ইউনিয়ন বিভক্ত হচ্ছে এলাকার জনগন কিছুই জানেনা। সুখানপুকুর নতুন ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিবেদন বাতিল করে কদমতলী নতুন ইউনিয়ন পরিষদের আহবান জানানো হয়।

এব্যপারে গাবতলী উপজেলা নির্বাহী অফিসার রওনক জাহানের সাথে কথা বললে তিনি জানান, নেপালতলী ইউনিয়ন বিভক্তের সকল কার্যক্রম, প্রতিবেদন পুর্বের নির্বাহী দিয়ে গেছেন। এখন শুধু গেজেট হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে।

No comments

Leave a Reply

1 + 4 =

সর্বশেষ সংবাদ