Menu

পলাশবাড়ীতে ৫ম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের চেষ্টার ২২দিন পর মামলা নিলো থানা পুলিশ

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বায়েজীদ, গাইবান্ধা): গাইবান্ধা জেলার পলাশবাড়ি উপজেলার নুনিয়াগাড়ি গ্রামের ৫ম শ্রেণীর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ চেষ্টার আসামি পলাশ মিয়ার (৩৪) বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা গ্রহন করেছে পলাশবাড়ি থানা পুলিশ।

গত ১ ডিসেম্বর নির্যাতনের শিকার ঐ ছাত্রীর মা মোছাঃ শ‍্যামলী আক্তার পলাশবাড়ি থানায় মামলা দায়ের করতে গেলে পুলিশ আসামি পলাশকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে মানসিক ভারসাম্যহীন রোগী দেখিয়ে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে। এরপর ঐ মামলার বাদী মোছাঃ শ‍্যমলী আক্তার আসামি পলাশের বিরুদ্ধে মামলা গ্রহন এবং এর সুষ্ঠু বিচারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করে ।

বিভিন্ন মহলে ছোটাছুটির পর পলাশবাড়ি থানা পুলিশ অবশেষে ২১ ডিসেম্বর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় আসামি পলাশের বিরুদ্ধে মামলা রুজু করে।

উল্লেখ্য , ৩০ নভেম্বর পলাশবাড়ি সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৫ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী (১০) তার বান্ধবীদের সঙ্গে বৈরি হরিনমারি এলাকায় অপর এক বান্ধবীর বাড়িতে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দুপুর ৩.০০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হলে পলাশ বাড়ি ড্রিমল‍্যান্ড এলাকায় পৌঁছালে জামালপুর গ্রামের মৃত সাখোয়াত হোসেনের ছেলে পলাশ মিয়া (৩৪) ওই শিক্ষার্থীসহ তার বান্ধবীদের পথ আটকিয়ে অশ্লীল শব্দ ব্যবহার করে।

এসময় তারা ভয়ে বান্ধবীর বাড়িতে না গিয়ে বাসায় ফেরার সময় ড্রিমল‍্যান্ড পার্কের সামনে আসলে পলাশ ওই শিক্ষার্থীকে জড়িয়ে ধরে শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিলে শিক্ষার্থী ও তার বান্ধবীরা চিৎকার করতে থাকলে কয়েকজন পথচারী এগিয়ে আসে। অন‍্য মানুষের উপস্থিতি টের পেয়ে পলাশ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

এঘটনায় ঐ ছাত্রীর মা বাদি হয়ে গাইবান্ধা পলাশ বাড়ি থানায় একটি মামলা দায়ের করলে পুলিশ গত ২ ডিসেম্বর আসামি পলাশকে গ্রেফতারের পর থানায় জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে সে মোঃ শাহারুল নামের এক যুবকের কথা বললে পুলিশ তাকেও আটক করে থানায় নিয়ে আসে।

আটকের কয়েকঘণ্টা পরেই মোঃ শাহারুলকে ছেড়ে দেওয়া হয় । পরে পুলিশ আসামি পলাশকে আদালতে চালান না করে মানসিক রোগী দেখিয়ে সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে আসামিকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছিল।

No comments

Leave a Reply

nine − 8 =

সর্বশেষ সংবাদ