Menu

বগুড়ার পীরগাছায় সহোদর দুই ভাইকে হত্যাকারীর ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন

মুহাম্মাদ আবু মুসাঃ বগুড়ার পীরগাছায় সালমা ক্লিনিকের মালিক ও গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা শাহীন আলম ও তার ছোট ভাই সেলিম হোসেনকে হত্যার প্রতিবাদে এবং ঘাতক সাদ্দাম হোসেন ও তার সহযোগিদের ফাঁসির দাবীতে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হয়েছে। গতকাল (১৩সেপ্টেম্বর/২১) সোমবার ওই ক্লিনিকের সামনে বগুড়া শহর ও মহাস্থান সড়কে এলাকাবাসি এই মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করেন।

পীরগাছা বণিক সমিতির সভাপতি আলমগীর হোসেন মিলু’র সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা তোজাম্মেল হক, সামছুল আলম, আলী আজম, রোস্তম আলী রকেট, আব্দুল বাকী, রেজাউল করিম বাবু, বিএনপি নেতা ও ব্যবসায়ী আলী-উল রেজা, আব্দুর রশিদ, স্থানীয় ইউপি মেম্বার জুলফিকার আলী শ্যামল, ব্যবসায়ী আবু তাহের, নিহতের বাবা আব্দুর ছাত্তার প্রামানিক, মা সালমা বেগম, ভাই আব্দুস সামাদ, মাসুদ রানা, ভাগ্নে ওয়ায়েজ কুরুনী, নিহত সেলিম হোসেনের স্ত্রী শিরিন আক্তার, নিহত শাহীন আলমের স্ত্রী সাবিনা নুর তানিমা, পীরগাছা সাবেকপাড়া বণিক সমিতির সভাপতি আলহাজ¦ আব্দুস সামাদ আকন্দ, জেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিহাদ আল হাসান জুয়েল, যুবলীগ নেতা পাপুল সরকার, সবুজ মিয়া, সুমন মিয়া, আব্দুল হাকিম, স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা আবু হায়াত সুইট, সাজু মিয়া, ছাত্রলীগ নেতা আরিফুল ইসলাম, আব্দুর রহিম, ইউসুফ আলীসহ ব্যবসায়ী, কৃষক, শ্রমিক, শিক্ষক, নিহতের শিশু ছেলে, মেয়ে, আতœীয় স্বজন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মী, হিন্দু-মুসলিম বিভিন্ন শ্রেনী পেশার শত শত নারী-পুরুষ। মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিলে অংশ গ্রহনকারীরা ঘাতক সাদ্দাম ও তার সহযোগিদের আইনের মাধ্যমে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি ও ফাঁসির দাবী করেন।

উল্লেখ, গাবতলীর সোনারায় ইউনিয়নের আটবাড়িয়া গ্রামের আব্দুর ছাত্তার প্রামানিকের ছেলে নিহত সেলিম হোসেন ও নিহত শাহীন আলম সহোদর দুই ভাই পাশর্^বর্তী রামেশ^রপুর উত্তরপাড়া গ্রামের জিন্নাহ মিয়ার ছেলে সাদ্দাম হোসেনের সাথে স্থানীয় পীরগাছায় সালমা ক্লিনিক দিয়ে ব্যবসা করতে থাকে। এর এক পর্যায়ে সাদ্দামের মধ্যে কিছুটা অসন্তোস বিরাজ করলে ক্লিনিকের অংশীদার ওই দুই ভাই শাহীন ও সেলিমকে হত্যা করার পরিকল্পনা করে সাদ্দাম হোসেন।

গত ৭জুলাই/২১ রাতে ক্লিনিকের অংশীদার যুবলীগ নেতা শাহীন আলম অসুস্থ হলে ওই রাতেই মারা যায়। এর পর ক্লিনিকের আরেক অংশীদার যুবলীগ নেতা শাহীন আলমের ভাই সেলিম হোসেন গত ৯সেপ্টেম্বর/২১ সন্ধ্যায় অসুস্থ হলে পরে তাকে শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। এর এক ঘন্টা পর সাদ্দাম হোসেন হাসপাতালে গিয়ে অসুস্থ সেলিমকে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করলে কিছুক্ষন পর মারা যান। বিষয়টি সেলিমের ভাই আঃ সামাদ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সাদ্দাম হোসেনকে হাতে নাতে চেতনানাশক ইনজেকশনসহ আটক করে রাখে। পরে তাকে থানা পুলিশে দিলে সে চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করে হত্যার করার কথা স্বীকার করে। এ ঘটনায় নিহতের বড় ভাই আব্দুস সামাদ বাদী হয়ে পরে দিন বগুড়া সদর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

No comments

Leave a Reply

nine + 15 =

সর্বশেষ সংবাদ