Menu

বগুড়া সদরের রাজাপুর গ্রামে ৫টি পরিবার ২ বছরেও পায়নি বিদ্যুৎ সংযোগ

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (সাফায়াত সজল): বর্তমান সরকারের উন্নয়নের জোয়ারের ফলে সব জায়গাতেই উন্নয়নের ছোঁয়া। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ডিজিটাল বাংলাদেশ যখন সফলতার চূড়ায়, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ যেখানে বর্তমান সরকারের অঙ্গীকার সেখানে একজন ব্যাক্তির অভিযোগের প্রেক্ষিতে প্রায় ২ বছর যাবত বিদ্যুৎবিহীন অবস্থায় মানবেতর জীবনযাপন করছে ৫টি পরিবারের প্রায় ৩০ জন সদস্য।

ঘটনাটি ঘটেছে বগুড়া সদরের রাজাপুর ইউনিয়নের মন্ডলধরণ গ্রামে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, জয়বাংলা হাটের অদুরেই মাটিডালী টু নারুয়ামালা রাস্তাটি মন্ডলধরন গ্রামের মধ্য দিয়ে সংযোগ ঘটিয়েছে। আর রাস্তার উভয় পাশে জায়গা কিনে বাড়ি করেছে ৫টি পরিবার।

কিন্তু বাড়িতে নেই কোন বিদ্যুৎ সংযোগ। বর্তমান সরকারের প্রতি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এর ঘোষনায় আলোর ঝিলিক দেখে এই পরিবার গুলো। বগুড়া পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির লোকজন এসে প্রথমে সরেজমিনে পরিদর্শন করে যায় বাড়িগুলো। বিদ্যুৎ সংযোগ বিনামূল্যে পাওয়ার কখা শুনে আশার আলো দেখতে পায় পরিবাররের সদস্যরা। এরপর প্রায় ২ বছর আগে বিদ্যুৎ বিভাগের লোক আসে বিদ্যুতের পোল স্থাপন করতে। শুরু হয়ে যায় কাজ। এরই মধ্য ২টি পোল স্থাপনের কাজ সম্পন্নও হয়। পরিবারের সদস্যরা জানায় বিদ্যুৎবিভাগের লোকজন অত্যন্ত আগ্রহের সাথে কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। পোল স্থাপন শেষে তারা বৈদ্যুতিক তার বিছানো শুরু করলে জনৈক মীর আলম তার ফুফুর জমিতে পোল স্থাপন করা হয়েছে এমন মৌখিক অভিযোগ আনে।
এই অভিযোগের ভিত্তিতে কাজটি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়।

এতে আশাগুলো নিমিষেই নিরাশায় পরিণত হয় পরিবারের সদস্যদের কাছে। এদিকে দেখতে দেখতে পেরিয়ে গেছে ২টি বছর। এখনো ঐ অবস্থাতেই আছে পোলগুলো। হয়নি অভিযোগের সমাধান, লাগানো হয়নি বৈদ্যুতিক তার তাই সংযোগ পায়নি ভুক্তভোগী পরিবারগুলো। ভুক্তভোগীদের আজিজার রহমান ও সাবিনা বেগম এর সাথে কথা বললে তারা জানায়, “পেরাই ২ বছর ধরে হামরা কারেন্ট পাবার আশাত বসে আচি, হামরা একবার লিখিতোও দিছনু, কিন্তু হামাকেরে কাগজ ব্যান কুটি পরে আচে। এই গরমের মদ্যে হামরা কেংকা আচি আপনেরা বুজিচ্চেন না কন?? তাই আবার হামরা বড় অফিসারের কাচে লিখিত দিবের চাচ্ছি”।

এব্যাপারে বিদ্যুৎবিভাগের বগুড়া জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসারদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছে ভুক্তভোগী পরিবারগুলো।

No comments

Leave a Reply

2 × five =

সর্বশেষ সংবাদ