Menu

মহাস্থান মাজারে ৪ মাসের দানের টাকা গুনতে লাগলো ২দিন!

সোনাতলা সংবাদ ডটকম ডেস্কঃ বগুড়ার মহাস্থানে হজরত শাহ্ সুলতান মাহমুদ বলখী (রহ.) মাজারের ৮টি সিন্দুকের (দানবাক্স) টাকা গণনা করা হলো দুই দিন ধরে। গত চার মাসে মানুষের দানকৃত টাকার পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৭৭ হাজার ২১৪ টাকা। এ ছাড়া ওই দানবাক্সগুলো থেকে পাওয়া গেছে সোনার তৈরি ১৭টি নাক ফুল। মাজার কমিটির কোষাধ্যক্ষ ওবায়দুর রহমান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান সোমবার সন্ধ্যার পর গণনা শেষ হয়েছে।

মহাস্থান মাজার কমিটির সভাপতি বগুড়া জেলা প্রশাসকের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট তাজ উদ্দিনের তত্ত্বাবধানে গত রবিবার প্রথম পর্যায়ে ৬টি সিন্দুক খোলা হয়। এরপর সোমবার খোলা হয় অপর দুই সিন্দুক। দু’দিন ধরে ওই সব দানবাক্সের টাকা গণনার কাজ চলে। মহাস্থান উচ্চ বিদ্যালয়ের ১৪ শিক্ষার্থীর পাশাপাশি স্থানীয় রূপালী ব্যাংকের ৭ কর্মকর্তা টাকা গণনার কাজে অংশ নেন।

মহাস্থান মাজার কমিটি জানায়, মাজারের চারদিকে মোট ৯টি সিন্দুক রয়েছে। এর মধ্যে ১টি অকেজো। অন্য ৮টি সিন্দুকে মাজার জিয়ারত করতে আসা লোকজনসহ পর্যটক ও দর্শনার্থীরা টাকা-পয়সা ও স্বর্ণালংকার দান করেন। মানুষের দানের ওই টাকা মাজার এবং মসজিদের উন্নয়নকাজে ব্যয় করা হয়। সিন্দুকে পাওয়া টাকাগুলো বরাবরের মতোই এবারও মাজারের পাশেই রূপালী ব্যাংকে জমা করা হয়েছে।

মহাস্থান মাজার কমিটির প্রশাসনিক কর্মকর্তা জাহিদুর রহমান জানান, মাজার কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তিন মাস পর পর সিন্দুকগুলো খোলা হয়। গত বছরের ১৮ ও ১৯ সেপ্টেম্বর সিন্দুকগুলো খোলা হয়েছিল। তখন পাওয়া গিয়েছিল ৩৬ লাখ ৮৯ হাজার ৫০০ টাকা। আগের তুলনায় এবার টাকার পরিমাণ কম হওয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ধারণা করা হচ্ছে সংসদ নির্বাচনসহ নানা কারণে এবার মাজার পরিদর্শনে আসা মানুষের সংখ্যা কিছুটা কমেছে। আর সে কারণে দানের পরিমাণও কমেছে।

No comments

Leave a Reply

1 + one =

সর্বশেষ সংবাদ