Menu

শিবগঞ্জে ক্রয়কৃত জমিতে মাছ চাষ করলেও প্রতিহিংসার স্বীকার এক কৃষক

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি): বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের উত্তর শ্যামপুর গ্রামের আমিরুলের বিরুদ্ধে নদীর জায়গা দখল করে মাছ চাষের মিথ্যা অভিযোগ করেছে কতিপয় স্বার্থানেশি ব্যক্তি।
জানা যায়, শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়নের উত্তর শ্যামপুর গ্রামের তারা মিয়ার ছেলে আমিরুল ইসলামের বিরুদ্ধে নদীর জায়গা দখল করে মাছ চাষের মিথ্যা অভিযোগ করেছে কতিপয় স্বার্থানেশি ব্যক্তি। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে উক্ত আমিরুল কিছু দিন আগে একই গ্রামের আলহাজ্ব আফসার আলী ও তার ভাই আজিজারের কাছ থেকে উত্তর শ্যামপুর মৌজার ৩১৮০, ৩১৮১ ও ৩১৮২নং দাগের ৮৪শতাংশ জমি নিজ নামে ক্রয় করে। কিন্তু উক্ত জমি আজিজার ও আফসারের নিজ নামে থাকা অবস্থায় ৩১৮০ ও ৩০৮১নং দাগের জমিতে বালু উত্তোলনের জন্য বোর্ড বিক্রি করার ফলে উক্ত দাগের প্রায় ১৫ শতাংশ করতোয়া নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। কোন উপায় না পেয়ে কৃষক আমিরুল বাশেঁর চটা ও মাটি দিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। এতে করে ঐ কৃষক নিজের জমি রক্ষার্থে নদীর কিছু পতিত জায়গাসহ মাছ চাষের পরিবেশ তৈরি করে। এতে করে নদীর প্রবাহের ও পরিরেশের কোন ক্ষতি সাধন হয়নি বলে স্থানীয় এলাকাবাসী জানিয়েছে। বালু বিক্রির কারণে জমিটি নদী গর্ভে পতিত হলেও কেউ জমি রক্ষা করার জন্য এগিয়ে আসেনি। পাশাপাশি অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের কারণে ঐ জমির পার্শ্ববর্তী আলমের বাড়ির টয়লেট ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলিন হয়ে যায়। কিন্তু কৃষক যখন নিজেই নদী গর্ভ থেকে তার জমি রক্ষা করার জন্য নদীর কিছু পতিত জায়গা নিয়ে মাছ চাষ করে আসছে। সরেজমিনে গিয়ে আরোও জানা যায়, কৃষক আমিরুল ঐ জমি ক্রয় করার পর হতেই কতিপয় স্বার্থানেশি ব্যক্তির তাদের অবৈধ বালু বন্ধ হয়ে যাওয়ায় তাদের হীনস্বার্থ চরিতার্থ করা নিমিত্ত্বে নদী দখলের মিথ্যা অভিযোগ এনে কৃষক আমিরুলের আর্থিক ক্ষতি ও হয়রনির চেষ্টা করে। উল্টো কৃষক আমিরুল এখন মিথ্যা অভিযোগে দিন যাপন করছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে কৃষক আমিরুল বলেন, আমার জায়গা ভাঙ্গনের কবল থেকে রক্ষার্থে আমি যখন উক্ত ৮৪ শতাংশ জমি ক্রয় করতে আগ্রহ প্রকাশ করি তখন থেকেই আমার গ্রামের জহুরুল ইসলাম জদু, জদুর ছেলে আজিজুল ইসলাম, আব্দুল হালিম বাটে, আব্দুল হাই খোকন গংরা ঐ জমি ক্রয়ে বাধাঁ দেয় এবং বিভিন্ন ভাবে হয়রানি করে। এমনকি তারা আমাকে মাদক ব্যবসায়ী বানানোর চেষ্টা করে। আমি কোন অন্যায় না করেও মিথ্যা অভিযোগ মাথায় নিয়ে বিচারের জন্য দ্বারেদ্বারে ঘুড়ছি। আমি স্থানীয় প্রশাসনে আশু সু-দৃষ্টি কামনা করছি। তবে সচেতন এলাকাবাসী দাবী করেছেন, নদীর পতিত জায়গা সবাই দখলকরে খাচ্ছে। আমরা সকল নদী দখলদারদের কাছ থেকে নদী রক্ষার দাবী জানাচ্ছি।

No comments

Leave a Reply

three × 4 =

সর্বশেষ সংবাদ