Menu

শিবগঞ্জে নৌকা মার্কার প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়ছে দুজন হেবিওয়েট স্বতন্ত্র প্রার্থী, ত্রিমুখী লড়ায়ের আভাস

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (শিবগঞ্জ প্রতিনিধি): বগুড়ার শিবগঞ্জে আসন্ন ৫ম উপজেলা নির্বাচনের প্রচারণার শেষ। চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে ত্রিমুখী লড়ায়ের আভাস পাওয়া গেছে। নৌকা মার্কার প্রার্থীর বিরুদ্ধে লড়ছে দুজন স্বতন্ত্র হেবিওয়েট প্রার্থী।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, ১৮ মার্চ সোমবার শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাচনে মোট কেন্দ্র ১১৪টি এবং মোট ভোটার দুই লক্ষ ছিয়ানব্বই হাজার সাতশত তের জন। প্রতিক বরাদ্দের পর থেকে ভোটারদের দ্বারে দ্বারে চষে বেড়িয়েছেন নৌকা মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী আজিজুল হক, মোটর সাইকেল মার্কার চেয়ারম্যান প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ রিজু ও আনারস মার্কার প্রার্থী এবং বগুড়া জেলার একমাত্র নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী বিউটী বেগম। ভোটের বিষয়ে জানতে চাইলে পীরবের সাধারণ ভোটার মিলন বলেন, নির্বাচনে ভোট দিতে পারবো কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহে আছি। ময়দানহাট্টার ভোটার তাহমিনা বলেন, আমি চাই এবারের নির্বাচনে ভোটাররা আবার ভোট কেন্দ্রে যাওয়ার সুযোগ পবে এবং যোগ্য প্রার্থীকে ভোট দিতে পারবে। নির্বাচন প্রশ্নে স্থানীয় বেশ কিছু জনপ্রতিনিধিরা নৌকা ও মোটর সাইকেল মার্কার প্রার্থীদের পক্ষে প্রকাশ্য অবস্থান নিয়ে প্রচারণা চালিয়েছেন। ভোটের সার্বিক পরিবেশ নিয়ে আনারস মার্কার উপজেলা স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী বিউটী বেগম বলেন, যদি ভোটাররা ভোট কেন্দ্রে যেতে পারে তাহলে আমি অবশ্যই জয়ী হবো, নির্বাচন বিষয়ে নৌকা মার্কার প্রার্থী আজিজুল হক বলেন, জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে অবশ্যই শিবগঞ্জবাসী নৌকা বিকল্প অন্য কোন মার্কায় ভোট দিবেনা। ভোটের পরিবেশ নিয়ে মোটর সাইকেল মার্কার স্বতন্ত্র প্রার্থী ফিরোজ আহমেদ রিজু বলেন, আমার সুভাগ্য যে আমি সকল দলের প্রার্থী হিসেবে বিপুল ভোটে জনগন আমাকে বিজয়ী করবে। সরেজমিনে উপজেলার সাধারণ ভোটারদের সাথে কথা বলে প্রতিয়মান হয় তিন প্রার্থীর মধ্যে লড়ায় হবে হাড্ডাহাড্ডি ও ত্রিমুখী। নির্বাচন সম্পর্কে উপজেলা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার আনিছুর রহমান বলেন, নির্বাচনের সার্বিক পরিবেশ আমাদের অনুকূলে রয়েছে, আশা করি আমরা সুষ্ঠ নির্বাচন উপহার দিতে পারবো। শিবগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান বলেন, ঝুকিপূর্ণ বলতে কোন কেন্দ্র নেই তবে গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ২০-২৫টি পাশাপাশি নির্বাচনের পরিবেশ শান্তিপূর্ণ রাখতে বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। তবে উপজেলার সচেতন মহল মনে করছেন নির্বাচনের শেষ সময় এসে নৌকা মার্কা ও মোটর সাইকেল মার্কার প্রার্থীর মধ্যে উত্তেজনামূলক বক্তব্যর কারনে এবারের নির্বাচনে ভোটের উপস্থিতি কম হবে এবং অপ্রিতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হতে পারে কিছু কেন্দ্রে।

No comments

Leave a Reply

six + six =

সর্বশেষ সংবাদ