Menu

সারিয়াকান্দিতে করোনা আতঙ্কে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হলেও বন্ধ হচ্ছে না প্রাইভেট কোচিং

পাভেল মিয়া, স্টাফ রিপোর্টারঃ করোনা ভাইরাস আতঙ্কে বাংলাদেশসহ বিশ্ব কাঁপছে। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে দিন পার করছে দেশের মানুষ। বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলাতে দিন দিন বাড়ছে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ আক্রান্তের সংখ্যা। ‘করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ও শিক্ষার্থীদের সুরক্ষায় সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও প্রাইভেট কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরীক্ষা অনিশ্চিত। কিন্তু এই মহামারির মধ্যেও সরকারি আদেশ অমান্য করে খুব কৌশলে প্রশাসনের চোখ ফাঁকি দিয়ে বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে সূর্যোদয় থেকে শুরু করে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কয়েকজন শিক্ষক নামধারী কিছু সুযোগ সন্ধানী ব্যক্তি প্রাইভেট নামে কোচিং বাণিজ্য চালাচ্ছেন।
সরোজমিনে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গিযে স্বচিত্রে দেখা যায়, একসাথে ১২-১৪ জনের ব্যাস করে সামাজিক দুরত্ব বজায় না রেখে, মাস্ক না পড়ে শিক্ষকরা পড়াচ্ছেন। উপজেলার নারচী ফকিরপাড়া গ্রামের সুনীর চন্দ্র রবীদাস, শিক্ষার্থীদের স্কুল ড্রেস পড়ে পড়াচ্ছেন, নেই কোনো সামাজিক দুরত্ববজায়। এছাড়াও ব্রাইট কোচিং সেন্টার, শিক্ষক মশিউর রহমান, কার্তিক কুমার চৌধুরী, রবিউল ইসলামসহ নাম জানা অজানা অনেকেই আছেন।
এ ব্যাপারে এক প্রশ্নের উত্তরে বেশ কয়েকজন শিক্ষক বলেন, সবই তো চলতেছে আগের মতো, এছাড়াও অনেকেই তো পড়াচ্ছেন, তাই আমিও পড়ানো শুরু করাছি। এভাবেই প্রতিটি শিক্ষদের বক্তব্য পাওয়া গেছে। অনেক শিক্ষক নিজের ভুল স্বীকার করে আর পড়াবেনা বলে ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের ভাষ্যমতে, আগে জীবন, এরপর লেখাপড়া। অভিভাবক মহল সন্তানকে প্রাইভেট বা কোচিংয়ে না পাঠাতে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। সরকারি আদেশ অমান্য করে ছাত্র জমায়েত যা করোনা ভাইরাস ছড়ানোর হুমকিস্বরূপ।
এদিকে একাধিক সচেতন মহল নিজেদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ প্রতিবেদককে বলেন শিক্ষার্থীদের জীবন নয়, টাকাটাই মুখ্য হয়ে গেছে। তাই তারা সরকারী নির্দেশনা উপেক্ষা করে প্রাইভেট অব্যাহত রেখেছে। সরকারি নির্দেশনা অমান্য করে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রাইভেট নামে কোচিং চলায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। তারা এ বিষয়ে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

No comments

Leave a Reply

3 × four =

সর্বশেষ সংবাদ