Menu

সুখানপুকুর-কদমতলী সড়কঃ পড়ে গেলেই যেতে হবে ৭০ ফিট নিচে !

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বদিউদ-জ্জামান মুকুল, সোনাতলা): বগুড়ার সুখানপুকুর-কদমতলী ভায়া সারিয়াকান্দি সড়কে একটি ব্রীজের উপর দিয়ে পথচারী ও যাত্রীবাহী পরিবহনগুলো জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে।

পথচারীর একটি অসাবধানতায় ঘটতে পারে প্রাণহানী। বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে ওই ব্রীজের পূর্ব পাশে মাটি সড়ে গিয়ে ৬০/৭০ ফুট গভীর হলেও তা আজও ভরাট করা হয়নি। ফলে যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে অঘটন।

বগুড়ার সুখানপুকুর-কদমতলী ভায়া সারিয়াকান্দি সড়কটি একটি জনগুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ওই সড়ক দিয়ে প্রতিদিন মোটর সাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান, সিএনজি, মাইক্রোবাস যোগে শতশত মানুষ যাতায়াত করে।

এছাড়াও স্কুল কলেজের ছাত্রছাত্রী, ব্যবসায়ী ও কৃষক তাদের উৎপাদিত ফসল সড়ক ও রেলপথ যোগে দেশের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানীর জন্য ওই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করেন। চলতি বছরের বন্যায় সুখানপুকুর বন্দরের পূর্ব পাশে অবস্থিত ব্রীজের পূর্ব পাশের এ্যাপ্রোজের মাটি বন্যার পানির স্রোতের তোড়ে ধ্বসে যায়। ফলে স্থানটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়ে।

বন্যা পরবর্তী দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও ওই ব্রীজের এ্যাপ্রোজে মাটি ভরাট করা হয়নি। রাস্তা থেকে মাটির দূরত্ব প্রায় ৬০/৭০ ফুট গভীর। অসাবধানতা বশত কোন পথচারী মোটর সাইকেল কিংবা সিএনজি যোগে যাওয়ার সময় রাস্তা থেকে পড়ে গেলে নিশ্চিত মৃত্যু তার অবধারিত।

এ বিষয়ে স্থানীয় কুড়িরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা এমএ হাকিম মতিন মাষ্টার, জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি টিএম মুসা পেস্তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, সুখানপুকুর একটি বন্দর এলাকা। প্রতিদিন সোনাতলা ও সারিয়াকান্দি উপজেলার হাজার হাজার মানুষ ওই পথ দিয়ে জেলা সদর সহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

ওই পথ দিয়ে যাতায়াতকারী পথচারীদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হয়। যেকোন সময় ঘটে যেতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা। নিভে যেতে পারে পথচারীদের জীবনপ্রদীপ।

এ বিষয়ে স্থানীয় নেপালতলী ইউপি চেয়ারম্যান একেএম লতিফুল বারী মিন্টুর সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি উর্ধ্বতন কর্র্তৃপক্ষকে একাধিক বার অবগত করা হয়েছে।

No comments

Leave a Reply

twelve + 10 =

সর্বশেষ সংবাদ