Menu

সেই মিমের মাকে আর্থিক সহযোগীতা ও সেলাই মেশিন উপহার দিলেন-ইউএনও রাসেল মিয়া

পাভেল মিয়া,স্টাফ রিপোর্টারঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার কামালপুর ফকির পাড়া গ্রামের আকবর আলী প্রামানিকের মেয়ে স্বামী পরিত্যাক্তা দুই সন্তানের মা কাজলী বেগম (৩০) ঢাকা সাভার ইপিজেড-এ একটি পোশাক কারখানায় চাকুরি করে জীবন যাপন করতেছিলো। গার্মেন্টেসে চাকরি করে বেতন যা পাইছে তা দিয়ে ভালই চলছিলো তাদের জীবন। তবে করোনা ভাইরাসের কারণে সাত মাস পূর্বে চাকুরী হারিয়ে দিনমজুর বাবার ঘাড়ে চেপে বসে। এদিকে বড় মেয়ে নুরইয়া ইয়াসমিন মিম (১১) দাদার বাড়িতে যেতে চেয়েছিলো, তিনশ টাকা না পেয়ে গলায় ওড়না পেচিয়ে নানার ঘরে আতœহত্যা করে। এমন সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা। মানবিক ইউএনও ঘটনাটি জানা মাত্রই তাকে নিয়ে তার অফিসে আসতে বলেন।
মঙ্গলবার সকালে নিহত মিমের মা কাজলী বেগমকে স্বাবলম্বী করে তুলতে নগদ আর্থিক সহযোগীতা ও একটি বাটারফ্রাই উন্নতমানের সেলাই মেশিন বাজার থেকে ক্রয় করে হাতে তুলে দেন ইউএনও। এ সময় ইউএনও দেয়া উপহার পেয়ে আবগাপ্লুত হয়ে পড়েন কাজলী বেগম।
কাজলী বেগম বলেন,“এতো বড় একটা জিনিস পাবো, হামি কোনোদিন ভাবতেই পারিনি। আপনাদের মাধ্যমে হামি এই সেলাইমেশিনটি পেয়ে আনন্দে হামার চোখে পানি আসছে। হামার মুখের এখন বলার মতো কোনো ভাষা নেই। তবে এটুকুই কই, ওনাক ভালো করুক। আল্লাহ ওই (ইউএনও) সাহেবকে বড় অফিসার বানাক”।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রাসেল মিয়া বলেন, মুক্তিযোদ্ধা রক্ত দিয়ে দেশ স্বাধীন করেছেন। আর আমাদের কাজ হলো দেশকে সুন্দর ভাবে গ[েড় তোলা। মেয়েটি দুঃখ-দুর্দশার কথা শুনো আমি তাকে আর্থিক সহযোগীতা ও ওই সেলাই মেশিনটি দিয়েছি, যাতে সে নিজের পায়ে দাড়াতে পারে।

No comments

Leave a Reply

2 × four =

সর্বশেষ সংবাদ