Menu

সোনাতলার তেকানীচুকাইনগড় ইউপি নির্বাচনঃ প্রবীনের চেয়ে নবিন প্রার্থীই বেশি

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আল মামুন ও লতিফুল ইসলাম): বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা কৌশলে প্রচারনা শুরু করে দিয়েছে। আবার সম্ভাব্য প্রার্থীরা দলীয় মনোনয়ন পেতে জোর গ্রæপিং লবিং চালিয়ে যাচ্ছে। তবে সম্ভাব্য প্রার্থী তালিকায় এবার নবীনদের সংখ্যাই বেশি। ইতোমধ্যে জেলা আওয়ামীলীগ কার্যালয় থেকে তৃনমূলের রেজুলেশনের ভিত্তিতে অনধিক ৩জন প্রার্থীর নাম দ্রæত সময়ের মধ্যে চাওয়া হয়েছে। এরপর প্রার্থী যাচাইয়ের জন্য ইউনিয়নগুলোতে কর্মী সমাবেশ করে প্রার্থী বাছাই করার প্রস্তুতি নিচ্ছে ইউনিয়ন ও উপজেলা আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা। ইতোমধ্যে উপজেলা আওয়ামীলীগ প্রার্থীদের নোনয়ন ফর্ম বিতরণ শুরু করেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিএনপি অংশ গ্রহণ করার ঘোষনা না দিলেও তাদের সমর্থিত প্রার্থীরা স্বতন্ত্র প্রাথী হিসেবে লড়বেন বলে ভোটারদের মুখে মুখে শোনা যাচ্ছে।
বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় ইতিমধ্যেই ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এলাকায় গণসংযোগ, সভা সমাবেশ, দান অনুদান দিয়ে চলেছেন। বর্তমানে ওই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থী ও তাদের সমর্থকরা প্রচারনায় থেমে নেই। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক সহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে শুভেচ্ছা বিনিময়ের কাজ অব্যাহত রেখেছে।
সোনাতলা উপজেলার অন্যান্য ইউনিয়ন পরিষদের মতো থেমে নেই সোনাতলা উপজেলার তেকানীচুকাইনগড় ইউনিয়নের সম্ভাব্য প্রার্থীদের লবিং ও প্রচার প্রচারণা। আসন্ন ইউপি নির্বাচনকে সামনে রেখে এপর্যন্ত তালিকায় যাদের নাম শোনা যাচ্ছে তারা হলেনঃ-
অধ্যক্ষ ছামচুল হক মন্ডলঃ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বর্তমান তেকানীচুকাইনগড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান তিনি। গত ৫ বছরে তিনি চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে গোটা ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ ও দুস্থ-অসহায় মানুষের সেবা করার সুযোগ পেয়েছেন। বড় বড় উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ করেছেন তিনি। এজন্য তার জনপ্রিয়তাও রয়েছে। দলীয় মনোনয়ন পেলে যে কোনও প্রার্থীর তাকে টপকিয়ে জয় পাওয়া কঠিন হবে।

জাহিদুল ইসলাম মন্ডলঃ তেকানীচুকাইনগড় ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাবেক সভাপতি তিনি। দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতি করে আসছেন। ইউনিয়ন মানুষের সাথে ভাল সখ্যতা তার। দল তাকে মনোনয়ন দিলে ভোটের মাঠে তিনি শক্ত প্রতিপক্ষ হবেন।

মহিদুল ইসলাম খন্দকারঃ তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন তিনি। গোটা ইউনিয়নজুরে তার জনপ্রিয়তা রয়েছে। এবার তিনি আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন চাইবেন বলে জানাগেছে।

প্রভাষক নুর আলম লিখনঃ তেকানীচুকাইনগর ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক তিনি। ছাত্রঝীবন থেকেই রাজনীতি করে আসছেন। এবার তিনি মনোনয়ন চাইবেন বলে জানাগেছে।

খলিলুর রহমান আকন্দঃ ১৯৮৩- ৮৫ সাল পর্যন্ত তেকানীচুকাইনগড় ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন তিনি। এছাড়া ১৯৯২ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া বিষয়ক সম্পাদক ছিলেন। এবার তিনি নৌকা মার্কার প্রার্থী হতে চান।

আবু তাহেরঃ গোটা ইউনিয়নে গরীব, অসহায় ও দুস্থদের পাশে থেকে সহযোগীতা করে যাচ্ছেন তিনি। এজন্য তার জনপ্রিয়তাও বেড়েছে। এবার তিনি নৌকা মার্কার মনোনয়ন চাইবেন বলে জানাগেছে।

গিয়াস উদ্দিনঃ দীর্ঘদিন ধরে আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জরিত তিনি। এবার তিনি নৌকা মার্কার মনোনয়ন চাইবেন বলে জানাগেছে।
এছাড়া সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ মন্ডলের ছেলে আহসান হাবীব নয়ন ও অলিউল্লাহ বিন আফজাল সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ভোটের মাঠে থাকতে পারেন বলে জানাগেছে।
নির্বাচনী তফশিল ঘোষনা না হলেও সংশ্লিষ্ট উপজেলার ৭টি ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থীরা ঘরে বসে নেই। তারা দিনরাত ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে দোয়া প্রার্থনা করছে। এমনকি এলাকার উন্নয়নে প্রতিশ্রæতি দিচ্ছে। গরীব, অসহায়, দুস্থ মানুষের মাঝে সাহায্য সহযোগিতার হাত বাড়াচ্ছে। এছাড়াও দরিদ্র পরিবারের ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া, বিবাহতে দান অনুদান দিয়ে আসছে।

#আগামীকাল পড়ুন মধুপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচনী হালচাল

No comments

Leave a Reply

eleven + three =

সর্বশেষ সংবাদ