Menu

সোনাতলায় ইরি-বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত কৃষকঃ শ্রমিক সংকট

সোনাতলা (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সোনাতলায় চলতি মৌসুমে ইরি-বোরো ধান চাষে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে ওই উপজেলার কৃষকেরা। শ্রমিক সংকট থাকায় ২হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা বিঘা চুক্তিতে ধান রোপন করছে কৃষকেরা।
যমুনা ও বাঙালী নদী বেষ্টিত সোনাতলা উপজেলার প্রায় ৮৫ ভাগ মানুষ কৃষি কাজের সাথে জড়িত। প্রতিনিয়ত প্রকৃতির সাথে লড়াই সংগ্রাম করে টিকতে হয় তাদের। তাই চলতি ইরি-বোরো মৌসুমে দ্বিগুন মজুরী দিয়ে শ্রমিক সংগ্রহ করে ধান রোপনে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে ওই উপজেলার কৃষকেরা।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা গেছে,ওই উপজেলায় মোট জমির পরিমাণ ১৫ হাজার ৬৯৩ হেক্টর। এর মধ্যে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ ১৩ হাজার ৩৪০ হেক্টর। দিন দিন আবাদি জমিতে পুকুর খনন, বাড়িঘর নির্মাণ করার কারণে ওই উপজেলায় আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। এছাড়াও জমির টপ সোয়েল (মাটি) ইট ভাটায় বিক্রি করার ফলে জমি উর্বরতা শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। এছাড়াও রাক্ষুসী যমুনা ও বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। যার ফলে ওই উপজেলার কৃষকেরা কম জমি থেকে বেশি ফসল উৎপন্ন করতে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান রোপন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার সরজমিনে উপজেলার হাটকরমজা, সৈয়দ আহম্মদ কলেজ, বালুয়াহাট, মধুপুর, উত্তর করমজা, হরিখালী, তেকানী, কাচারীবাজার, পাকুল্লা, হুয়াকুয়া, শ্যামপুর, চরপাড়া, ভেলুরপাড়া, শিচারপাড়া, রানীরপাড়া, রংরারপাড়া, গোসাইবাড়ী, ঠাকুরপাড়া, দিঘলকান্দী ও মহিচরণ এলাকার কৃষকেরা প্রতি বিঘা ১৮শ থেকে ২ হাজার টাকা বিঘা চুক্তিতে রোপন করছে। আবার কিছু কিছু এলাকায় শ্রমিক সংকট দেখা দেওয়ায় দ্বিগুন মজুরী দিয়ে কৃষক ধান রোপন করছে।
এ বিষয়ে ঠাকুরপাড়া গ্রামের তোজাম্মেল হক, হুয়াকুয়া গ্রামের আতাউর রহমান গেদা, শ্যামপুর এলাকার মানিক সরকার, পাকুল্লা এলাকার শিউলী বেগম জানান, এবার তারা অধিক ফসলের আশায় উচ্চ ফলনশীল উফশী জাতের ধান রোপন করেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহমেদ জানান, বগুড়ার সোনাতলায় এবার রেকর্ড পরিমাণ জমিতে কৃষক ইরি-বোরো ধান রোপনে ব্যস্ত সময় অতিবাহিত করছে।

No comments

Leave a Reply

16 − fourteen =

সর্বশেষ সংবাদ