Menu

সোনাতলায় প্রবাসীর স্ত্রীর ঘর থেকে যুবককে আটক করে পুলিশে সোপর্দ

সোনাতলা (বগুড়া) সংবাদদাতাঃ বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার দিগদাইড় ইউনিয়নের উত্তর বাঁশহাটা বালুঘাটি পাড়া গ্রামের এক প্রবাসির স্ত্রীর ঘর থেকে এক যুবককে স্থানীয় জনতা আটক করেছে। সে একই এলাকার মৃত আবেদ আলীর ছেলে আঃ রাজ্জাক (৩৫)। ওই যুবক প্রতিবেশি মুদি দোকানদার।
প্রবাসি আবু হোসেনের পরিবার ও এলাকার লোকজন আটক যুবক আঃ রাজ্জাককে রাতেই থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করে।

স্থানীয়সুত্রে জানাযায়, গত ২৯’শে এপ্রিল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১০টায় আঃ রাজ্জাক কাতার প্রবাসি জনৈক ব্যাক্তির স্ত্রীর ঘরে ঢুকলে বিষয়টি দেখে তার পরিবারের লোকজন ঘরটি তালাবন্দি করে এলাকার লোকজনকে খবর দেয়। এসময় গ্রামের লোকজন ছুটে এলে রাজ্জাককে সেই ঘরে তালাবন্দি দেখতে পায়। এরপর রাজ্জাক স্থানীয় লোকজনের উপস্থিতি টের পেয়ে ঘরের বেড়া ভেঙ্গে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে তাকে হাতেনাতে আটক করে স্থানীয় লোকজন।
এসময় আঃ রাজ্জাক জানায়, প্রবাসির স্ত্রী পাওনা টাকা চেয়ে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে তাকে ঘরে ডাকলে সে তার ঘরে যায়। অন্যদিকে প্রবাসির স্ত্রীর সাথে কথা বললে তিনি রাতে রাজ্জাক ঘরে আসার কথা এবং ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ রাখার কথা স্বিকার করেন। তবে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে রাজ্জাককে ডাকার কথাটি অস্বিকার করেন।
এঘটনায় প্রবাসীর ভাইয়ের ছেলে জানায়, দির্ঘদিন যাবত এলাকার অনেকেই তাকে রাজ্জাক ও তার চাচির বিষয়ে নানা কথা বলে। একপর‌্যায়ে ঐ দিন রাতে তার চাচির ঘরে রাজ্জাককে প্রবেশের কথা জানালে সে লুকিয়ে ঘরের ভেতর লক্ষ করে দেখতে পায় রাজ্জাক ও তার চাচি বিছানায় একসাথে শুয়ে আছে। এটি দেখে সে তার পরিবারের লোকজনকে জানিয়ে তাদেরকে সাথেনিয়ে ঘরের দরজায় করা নারে। এরপর প্রবাসির স্ত্রী তার চাচি ভেতর থেকে বন্ধ দরজা খুলে দিলে তারা সকলেই ঘরের ভেতরে প্রবেস করে এবং জিজ্ঞাসা করলে তার চাচি (প্রবাসির স্ত্রী) ঘরে কেউ নেই বলে জানায়। এসময় তারা রাজ্জাককে ঘরের এক কোনায় লুকিযে থাকতে দেখে তাকে ধরার চেষ্টা করে। এসময় তাদের চিৎকারে এলাকার লোকজন এগিয়ে এলে রাজ্জাক ঘর থেকে পালানোর চেষ্টা করলে তারা রাজ্জাককে হাতেনাতে আটক করে বলেও জানায় রনি।

এরপর এলাকার লোকজন বিষয়টি থানায় জানালে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রেজাউল করিম রেজার নির্দেশে এসআই আঃ রহিম ও এসআই নুরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রবাসির স্ত্রীকে উদ্ধারসহ আঃ রাজ্জাককে আটক করে।

অপরদিকে এঘটনায় কারো কোন অভিযোগ না থাকায় পরের দিন শুক্রবার দুপুরে প্রবাসির স্ত্রীকে তার মা,ভাই ও শ্বশুরের হাতে তুলে দেয় থানা পুলিশ। সেইসাথে আব্দুর রাজ্জাকে ১৫১ ধারায় মামলা দিয়ে আদালতে প্রেরন করেন।
আরো জানাযায়, এঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতে আঃ রাজ্জাক ও প্রবাসির পরিবারের লোকজনের মধ্যে মারপিটে রাজ্জাকের ভাই দেশীয় অস্ত্র দারা মাথায় গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হলে স্থানীয় লোকজনের সহযোগিতায় তাকে কলেজ স্স্টেশন এলাকার একটি ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎস্যা দেয়া হয়েছে। এসময় তার মাথায় কয়েকটি সেলাই দেয়া হয়েছে বলে জানায় আহত ব্যক্তি

One comment

  1. haskf says:

    আমি একটা বিষয় বুঝতে পারলাম না… মেয়েকে কেনো কিছু করা হলো না? মেয়ে যদি না ডাকত ছেলে কিভাবে যাইতো? আমি বুঝলাম না বিষয়টা … ছেলের দোষটা কি ? আমায় কেউ কি বলবেন?? এগুলা কি ধরনের কথা। তারা দুজনেই সমান অপরাধি… কি জন্য একজনকে আটক করা হবে? কোনো কিছু হইলে কি জন্য ভাই একটা ছেলেকে এতো দোষ দেয়া হবে? এখন কি নারী বাদী মামলা দেয়া হবে? তার উপর জোর করে কিছু করছে? এখন এগুলা বলতে গেলেই নিজে দোষী হয়ে যাবো

Leave a Reply

nineteen − fifteen =

সর্বশেষ সংবাদ