Menu

সোনাতলায় বাঙ্গালী নদীর তীর থেকে বালুর বস্তা ও বাঁশের পাইলিং ধ্বসে গেছেঃ গচ্ছা গেল সরকারী অর্থ

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বদিউদ-জ্জামান মুুকল, সোনাতলা): বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে ৬টি পয়েন্ট হুমকির মুখে পড়েছে। সেই সাথে সোনাকানিয়ায় ভাঙনরোধে নদীর তীর রক্ষায় ফেলানোর বালির বস্তা ও বাঁশের পাইলিং নদীতে ধ্বসে গেছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে শত বছরের ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গুড়াভাঙ্গা বাজার।

বগুড়ার সোনাতলায় বাঙালী নদীর অব্যাহত ভাঙনে সোনাকানিয়া, হলিদাবগা, রানীরপাড়া, নামাজখালী, রংরারপাড়া, নিশ্চিন্তপুর এলাকায় শতশত একর আবাদী জমি, গাছপালা, ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে পড়েছে আরও প্রায় ৬টি গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ।

চলতি বছরের বন্যায় বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার সোনাকানিয়া ঐতিহ্যবাহী শত বছরের জামে মসজিদ, গুড়াভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গুড়াভাঙ্গা বাজার হুমকির মুখে পড়লে পানি উন্নয়ন বোর্র্ড সোনাকানিয়া নদীর তীর রক্ষার জন্য সেখানে বালির বস্তা ও বাঁশের পাইলিং করে ভাঙনরোধের চেষ্টা করে।

বাঁশের পাইলিং ও নদীর তীর রক্ষার জন্য বালির বস্তা ফেলা হলেও গতকাল সোমবার তা নদীতে ধ্বসে যায়। ফলে যে উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট বিভাগ কাজটি করেছিল তা ব্যর্থ হয়ে যায়। সেই সাথে সরকারের অর্থ গচ্চা গেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় লোকজন জানান, যখনি বন্যা আসে, তখন কয়েকটি বালুর বস্তা ও কয়েকটি বাঁশ পোতা হয়। পানি শুকালেই স্থায়ী ভাবে কাজ করার লোক থাকে না। এভাবেই যুগের পর যুগ কেটে গেলেও আজ সোনাকানিয়ায় বাঙালী নদীর ভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।

এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মাহবুবুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, এবার বন্যার পর ওই স্থানে নদীভাঙন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

No comments

Leave a Reply

one × 4 =

সর্বশেষ সংবাদ