Menu

সোনাতলায় বাড়িতে বাড়িতে জ্বর,সর্দি ও কাশিতে ভুগছে মানুষঃ একদিনে ২ শিশুসহ ১১ জন করোনায় আক্রান্ত

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (স্টাফ রিপোর্টার): বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গত শুক্রবার ২৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী দুইজন শিশু সহ ১১ জনের শরীরের করোনা ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এছাড়াও বালুয়া ও দিগদাইড় ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

সংগৃহীত নমুনার প্রায় ৫০ ভাগ মানুষ করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় ওই উপজেলার মানুষের মধ্যে করোনা আতংক বিরাজ করছে। এদিকে ওই উপজেলার বাড়িতে বাড়িতে মানুষ জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হয়েছে।

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২৮টি নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ১২ ও ১৩ বছর বয়সী শিশু সহ ১১ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

এছাড়াও ওই উপজেলার দুইজন জনপ্রতিনিধি এর কয়েকদিন পূর্বে করোনায় আক্রান্ত হয়েছে। তারা হচ্ছেন, বালুয়া ইউপি চেয়ারম্যান প্রভাষক রুহুল আমিন ও দিগদাইড় ইউপি চেয়ারম্যান আলী তৈয়ব শামীম।

সূত্র আরও জানান, সম্প্রতি ওই উপজেলায় বাড়িতে বাড়িতে মানুষ জ্বর, সর্দি ও কাশিতে আক্রান্ত হয়েছে। প্রতিদিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আউট ডোরে শতাধিক বিভিন্ন বয়সী মানুষকে জ্বর, সর্দি ও কাশির চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে। এছাড়াও গত কয়েকদিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলায় আশংকাজনক হারে বেড়ে গেছে করোনা রোগীর সংখ্যা।

এ বিষয়ে স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ডাঃ ছরোয়ার আলম তহিদুল, ডাঃ আলী রেজা তোতা, ডাঃ নাহারুল আলম হেলাল ও ডাঃ হুমায়ন কবীর ইমরান জানান, সম্প্রতি জ্বর, সর্দি ও কাশিতে ভোগা রোগীর সংখ্যা বেড়ে গেছে। এমনকি ওই উপজেলার হাট বাজারের ঔষধের দোকানগুলোতে প্যারাসিটামল সংকট দেখা দিয়েছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের টিএইচও ডাঃ এহিয়া কামাল জানান, সরকার সোনাতলায় যে পরিমান করোনার ভ্যাকসিন বরাদ্দ দিয়েছিল তা ইতিমধ্যেই শেষ হয়েছে। ওই উপজেলায় প্রথম ডোজ টিকা নিয়েছেন ৩ হাজার ৮শ’ ১০ জন এবং দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন ২ হাজার ৩শ’ ৯৬ জন। যা জনসংখ্যার তুলনায় অত্যন্ত নগন্য। নতুন করে ওই উপজেলায় করোনার ভ্যাকসিন এখনও বরাদ্দ পাওয়া যায়নি বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, ওই উপজেলায় মোট লোকসংখ্যা ১ লাখ ৯৪ হাজার ২৩৪ জন।

No comments

Leave a Reply

eight + seventeen =

সর্বশেষ সংবাদ