Menu

সোনাতলায় মানুষের প্রত্যাশা পূরুন করে চলেছেন উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. লীটন

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (আল মামুন): মানুষের দক্ষতা ও ইচ্ছাশক্তি থাকলেই যে জনগণের পাশ্বে থেকে উপকার করা যায় এবং এলাকার উন্নয়ন করা যায় তার অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন বগুড়ার সোনাতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও বাংলাদেশ সূপ্রীম কোর্টের বিজ্ঞ আইনজীবি অ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন। তিনি বাংলাদেশ সূপ্রীম কোর্টে মাসে কয়েক লাখ টাকার আয় বাদ দিয়ে দিন-রাত সোনাতলা উপজেলার বন্যা কবলিত মানুষের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি উপজেলা পরিষদের বরাদ্দ ও সরকারী বরাদ্দের পাশাপাশি নিজের অর্থে খাবার তুলে দিচ্ছেন বানভাসি হাজারো মানুষের হাতে। এছাড়া বন্যায় শিশুদের খাবার সমষ্যা দেখা দেয়। তাই কোমলমতি শিশুদের কথা চিন্তা করে তাদের জন্য নিজের উদ্যোগে আলাদাভাবে দুধসহ শিশুখাদ্য বিতরণ করছেন। তার নির্দেশে দলীয় নেতাকর্মীরা বানভাসিদের জন্য আপদকালীন আবাসস্থলের। এছাড়া বিভিন্ন গুজব মোকাবেলায় কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে এবং সজাগ থাকতে প্রশাসনের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন।
বন্যা আসলেই ডাকাতরা নৌকা নিয়ে গিয়ে লোকজনকে জিম্মি করে বিভিন্ন গবাদিপশুর পাশাপাশি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যেত। এবারও মানুষ ডাকাত আতঙ্কে আছে। তাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন প্রশাসনকে রাতে টহল ব্যবস্থা জোড়দারে আহবান জানান।
অ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর আমুল পরিবর্তন হয়েছে সকল বিভাগের। তিনি বিভিন্ন সময় বিভিন্ন সেক্টরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময় করেন এবং দপ্তরগুলোর সমস্যা সম্ভাবনা সম্পর্কে অবহিত হয়ে তিনি ব্যবস্থা নিতে শুরু করেন। তাই বিভিন্ন সেক্টরে জনগনের সেবা বেড়েছে।
বন্যা দূর্গত এলাকায় ঘুরে ও বানভাসিদের সাথে কথা বলে জানাগেছে, উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাড. লীটন প্রতিদিন তাদের জন্য খাবারের ব্যবস্থা করেছেন। এবং তিনি নিজে প্রায় প্রতিদিন এসে সেই খাবার বিতরণ করছেন যা এর আগে কোনও উপজেলা চেয়ারম্যান কখনো আসেনি। তাই এবার সোনাতলা উপজেলা পরিষদের একজন যোগ্য মানুষ উপজেলা চেয়ারম্যান হয়েছেন বলে মন্তব্য করেন।
সোনাতলা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অ্যাড. মিনহাদুজ্জামান লীটন বলেন, জনসেবার ব্রত নিয়েই রাজনীতি করে আসছি। তাই সুখে দুঃখে আমৃত মানুষের পাশে থাকতে চাই।

No comments

Leave a Reply

five + 9 =

সর্বশেষ সংবাদ