Menu

সোনাতলায় মারধরের ঘটনায় পুলিশ সদস্য ও তার বাবা- ভাই গ্রেফতার

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (স্টাফ রিপোর্টার): বগুড়ার সোনাতলা থানা পুলিশ এক পুলিশ কনস্টেবল সহ তার পিতা ও ছোট ভাইকে গ্রেফতার করে আজ সোমবার জেল হাজতে প্রেরন করেছে।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের হুয়াকুয়া গ্রামে গত ৬ জুন ১৯ ইং তারিখ সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮টার সময় একই গ্রামের মৃত মহসিন আলী মন্ডলের পুত্র আব্দুস সালাম ওরফে লিটন মন্ডলের বাড়িতে গিয়ে বাবর আলী আকন্দের লোকজন আকস্মিক হামলা চালিয়ে লিটনকে বেদম মারপিট করে। এ সময় তার চিৎকারে তার স্ত্রী নাসরিন বেগম (৩৫) এগিয়ে এলে প্রতিপক্ষের লোকজন তাকেও মারপিট করে তার গলা থেকে স্বর্নের চেইন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় লোকজন তাদেরকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
এ বিষয়ে ওই পুলিশ সদস্যের পরিবার জানান, একই গ্রামের মৃত অবির উদ্দিন মন্ডলের পুত্র ছলিম উদ্দিন মন্ডলের ৪০ শতক জমি এক বছর পূর্বে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকায় এগ্রিমেন্ট নিয়ে ওই জমির ৭ শতক জায়গায় ঘাস লাগায়। সেই জমিতে প্রতিপক্ষের আব্দুস সালাম লিটনের ছাগল ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে ঈদের পরের দিন গ্রাম্য শালিস বৈঠকের আয়োজন করা হয়। সেই শালিসে আব্দুস সালাম লিটন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করলে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি থেকে মারপিটে রুপ নেয়। আর এ ঘটনার জের ধরেই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিপক্ষের লোকজন মারপিট, প্রাননাশের হুমকি ও গলার চেইন ছিনতাই মামলা দায়ের করে।
এ ব্যাপারে গত ৯ জুন ১৯ ইং তারিখ দিবাগত রাতে আব্দুস সালাম লিটন বাদি হয়ে পুলিশ সদস্য ওসমান গনি সহ ৭ জনকে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করে। পুলিশ ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ কনস্টেবল ওসমান গনি (২৫) পিতা বাবর আলী আকন্দ (৬৫) ও ছোট ভাই আমির হোসেন ঠান্ডু (২২) কে গ্রেফতার করে গতকাল সোমবার জেল হাজতে প্রেরন করে।
এ বিষয়ে গ্রামবাসী জানান, ওই পরিবারের দুই পুলিশ সদস্যের দাপটে পুরো গ্রামবাসী কোনঠাসা।
গতকাল সোমবার চীফজুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পুলিশ পুত্র ও তার পিতা ও ছোট ভাইয়ের জামিনের আবেদন করলে আদালত না নাকচ করে দিয়ে তাদের জেল হাজতে পাঠায়।
এ বিষয়ে সোনাতলা থানার ওসি মোঃ আব্দুল্লাহ আল মাছউদ চৌধুরী জানান, বিষয়টি তদন্ত করে পুলিশ এ মামলার অগ্রগামী করবে।

No comments

Leave a Reply

8 − 5 =

সর্বশেষ সংবাদ