Menu

সোনাতলায় মারপিট মামলার জেরে গোয়াল ঘর থেকে গরু চুরিঃ গরুসহ চোর আটক

আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলায় মারপিট মামলার জেরে মধ‍্যে রাতে প্রতিপক্ষের ভাইয়ের গোয়াল ঘর থেকে গরু চুরি করে যাওয়ার সময় জনগণ কর্তৃক আটক। ঘটনাটি ৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত ২টায় উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নে ধর্মকুল গ্রামে আটকের ঘটনা ঘটে। জানা যায় উপজেলার জোরগাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া (মুন্সিপাড়া) গ্রামের মৃত কফিল উদ্দিন প্রামানিকের ছেলে মাহবরের গোয়াল ঘর থেকে মধ‍্যে রাতে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে রাস্তা দিয়ে হেটে যাচ্ছিল। এসময় একই উপজেলার বালুয়া ইউনিয়নের ধর্মকুল গ্রামের রাস্তায় পৌছিলে বিপরীত দিক থেকে আসা বর যাত্রীর লোকজন রাতের আধাঁরে দুটি গরু নিয়ে যাওয়া দেখতে পায়। জিজ্ঞাসা বাদে জানতে পারে গরু দুটি চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে। হই হই শুনে স্থানী লোকজন এসে গরুসহ চোরকে আটক করে স্থানীয় ইউপি সদস‍্যর জিম্মায় আটক রাখে। গরু চোর উপজেলার জোরগাছা ইউনিয়নের জোরগাছা (গাছবাড়ী) গ্রামের মৃত সেকেন্দারের ছেলে এনামুল। ঘটনাস্থলে এক আত্মীয় চোরের মুখে গরুর মালিকের নাম জানতে পেরে মোবাইল ফোনে তাদেরকে অবগত করে। খবর পেয়ে গরুর মালিক স্থানীয় ইউপি সদস‍্য নিয়ে ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে গরু চোর এনামুলের বাড়ির স্থানীয় ইউপি সদস‍্য উপস্থিত হয়। জিজ্ঞাসাবাদে চোর এনামুল জানান, মামাদেরকে মারামারি করার জন‍্য আমি রাগ করে প্রতিপক্ষ নানার গোয়াল ঘর থেকে দুটি গরু নিয়ে আমার শ্বশুর বাড়ি বোনারপাড়া যাওয়ার সময় জনগণ আমাকে আটক করে। আসলে আমি চোর না যেটা করছি রাগের মাথায় করছি এটা আমার ভূল হয়েছে। এ বিষয়ে কোন অভিযোগ না থাকায় তিন জন ইউপি সদস‍্য সমন্বয়ে গরুর মালিকের হাতে গরু বুঝিয়ে দেন।

উল্লেখ ২১ আগষ্ট উপজেলার সোনাকানিয়া গ্রামের ছালাম ও এমদাদুলের মধ‍্যে বাড়ির সীমানা নিয়ে মালপিটের ঘটনা ঘটে। এবিষয়ে এমদাদুলের ছেলে সবুজ বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে। ওপরদিকে ছালামের স্ত্রী রোকেয়া বেগম বাদী হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করে। ওই মামলার জেরে গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এঘটনায় থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজার সাথে কথা বললে তিনি জানান এবিষয়ে কোন অভিযোগ আসেনি।

No comments

Leave a Reply

14 + eight =

সর্বশেষ সংবাদ