Menu

সোনাতলায় যমুনা নদীর বাঁধের পাশ্বে থেকে বালু উত্তোলনঃ হুমকির মুখে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (স্টাফ রিপোর্টার): বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের মির্জাপুর, চালালকান্দি ও ১০ নম্বর (আমতলী) যমুনা নদী থেকে অবাধে শ্যালো মেশিন দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে পড়েছে যমুনা নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ। নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের ফলে আসন্ন বর্ষা মৌসুম ও বন্যায় নদীর দিক পরিবর্তন হয়ে রাক্ষুসী যমুনা নদী গর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে নদী তীরবর্তী গ্রামগুলো।
জানাগেছে, বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার পাকুল্লা ইউনিয়নের ৩টি স্থান থেকে শ্যালো মেশিন দিয়ে অবাধে যমুনা নদীর তীর ঘেষা স্থান থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। এতে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ, শত বছরের ঐতিহ্যবাহী পাকুল্লা মসজিদ সহ বিস্তৃর্ণ এলাকা হুমকির মুখে পড়েছে। এখনই বালু উত্তোলন বন্ধ না করলে যমুনার করাল গ্রাসে আশপাশের প্রায় ১৮-২০টি গ্রাম মানচিত্র থেকে মুছে যাবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।

এ বিষয়ে কাচারী এলাকার ট্রলি চালক সুমন মিয়া বলেন, প্রতি ট্রলি বিট বালু ক্রয় করে ১০০ টাকা। বিক্রি করে ১ হাজার টাকা। এছাড়াও সুখানপুকুর এলাকার ট্রাক চালক শাকিল মিয়া বলেন, তারা প্রতি ট্রাক বালু ক্রয় করে হাজার থেকে ১২শ টাকা। বিক্রি করে ২২শ’ থেকে আড়াই হাজার টাকা।

এ বিষয়ে বালু ব্যবসায়ী ব্যাকুল, মিনারুল ইসলামের সাথে কথা বললে তারা বলেন, এ বিষয়ে লিখে কাজ হবে না। আমরা বিভিন্ন অফিস ম্যানেজ করেই নদী থেকে বালু উত্তোলন করছি।

সোনাতলা থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা বলেন, আমরা যখন ঘটনাস্থলে অভিযান চালাই তখন কাউকে খুঁজে পাওয়া যায় না।

সোনাতলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) কাবেরী জালাল বলেন, সোনাতলায় কোনও বালু মহাল নেই। যারা বালু উত্তোলন করছে এরা অন্যায় করছে।

সোনাতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাদিয়া আফরিন বলেন, ওই এলাকা থেকে বালু উত্তোলনের বিষয়ে আমাকে স্থানীয় লোকজন অবগত করেছে। যেকোন সময় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

No comments

Leave a Reply

nineteen − eight =

সর্বশেষ সংবাদ