Menu

সোনাতলায় সফুরা হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বদিউদ-জ্জামান মুকুল, সোনাতলা): বগুড়ার সোনাতলায় বৃহস্পতিবার সফুরা হত্যা মামলার আসামীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও ফাঁসির দাবিতে সোনাতলা উপজেলার গুড়াভাঙ্গা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন বাঙালী নদীর তীরে সোনাতলা-বগুড়া সড়কে এলাকাবাসী মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

স্থানীয় গ্রামবাসীদের উদ্যোগে সোনাতলা-বগুড়া সড়কে সকাল ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া গুড়াভাঙ্গা এলাকায় সফুরা হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত ১নং আসামী আব্দুল হালিম, ২নং আসামী হাসিবুর রহমান ও ৩নং আসামী আহসান হাবিবকে দ্রæত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে ফাঁসি কার্যকর করার দাবিতে মানব বন্ধন কর্মসূচি পালন করেন।

মানব বন্ধন কর্মসূচি শেষে এক সংক্ষিপ্ত প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন, এড শহিদুল ইসলাম, স্থানীয় সাবেক ইউপি সদস্য আতোয়ার হোসেন, শাহজাহান আলী টুকু মাষ্টার, জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তাগণ বলেন, গত বছরের ১০ নভেম্বর বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের সোনাকানিয়া গ্রামের মৃত ফজলুল হক মন্ডলের পুত্র মোঃ আব্দুল হালিম ও তার দুই পুত্র হাসিবুর রহমান হাসিব (২৫), আহসান হাবীব (২৪) এর নেতৃত্বে¡ ৪০/৫০ জনের একদল নারী ও পুরুষ সংঘবদ্ধ হয়ে হাতে রামদা, ছোরা, লোহার রড ও বাঁশের লাঠি নিয়ে অতর্কিতভাবে একই গ্রামের মৃত আবুল কাশেমের ছেলে এড. মোঃ শহিদুল ইসলামের বসতবাড়িতে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাটের ঘটনা ঘটায়।

এ সময় শহিদুলের বৃদ্ধ মাতা সফুরা বেওয়া (৬০) বাধা দিলে হামলাকারীরা তাকে বেদম মারপিট করে। এ সময় এড. শহিদুল ইসলাম, তাহমিনা বেগম (৩৮), জাহিদুল ইসলাম (৪০), মাহফিল ইসলাম (৩৮), এরফান আলী (৩৭), শামছুল আলম (৪০), আব্দুর রশিদ (৩৫) বাঁধা দিলে হামলাকারীরা তাদের উপর চড়াও হয় এবং লাঠি দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে।

এ ঘটনার পরের দিন গত ১১ নভেম্বর/১৯ চিকিৎসাধীন অবস্থায় সফুরা বেওয়া ভোর রাতে সোনাতলা হাসপাতালে মারা যায়।

বক্তাগণ আরও বলেন, হামলাকারীরা ওই সময় ঘরের মূল্যবান আসবাবপত্র, টিনের বাড়িঘর ও স্বর্নলংকার সহ প্রায় ১০ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনার দীর্ঘ প্রায় পৌনে ২ মাস অতিবাহিত হলেও ওই ঘটনার মূল নায়ক আব্দুল হালিম ও তার দু’পুত্র হাসিব ও আসহান হাবিবকে পুলিশ এখনও গ্রেফতার করতে পারেনি। দ্রæত ওই মামলার ১,২ ও ৩নং এজাহারভুক্ত আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় ।েেন তাদের ফাঁসি কার্যকর করার দাবি তোলা হয়।

No comments

Leave a Reply

four − 1 =

সর্বশেষ সংবাদ