Menu

সোনাতলায় হাটে বাজারে প্রচুর আমন ধানের চারা আমদানী হচ্ছেঃ দাম আকাশ চুম্মি

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বদিউদ-জ্জামান মুকুল, সোনাতলা): চলতি বছর বন্যার পর বগুড়ার সোনাতলায় হাটে বাজারে প্রচুর আমন ধানের চারা’র আমদানী। তবে দাম কৃষকের নাগালের বাহিরে।

আজ শুক্রবার সরজমিনে বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ঠাকুরপাড়া, হাটকরমজা, কোড়াডাঙ্গা, বয়ড়া, সর্জনপাড়া, পূর্ব করমজা, গোসাইবাড়ী, চরপাড়া, নওদাবগা, দিঘলকান্দী, মহিচরণ, চিল্লিপাড়া, দিগদাইড়, মূলবাড়ী, ফাজিলপুর, কর্পূর, বালুয়াহাট এলাকায় গিয়ে প্রচুর বীজতলা লক্ষ করা গেছে। এছাড়াও উপজেলার বালুয়াহাট, হাটকরমজা, হরিখালী ও তেকানী কাচারীবাজার হাটে প্রচুর আমন ধানের চারা আমদানী ও বেচা বিক্রি করতে দেখা গেছে। ওই হাটবাজারগুলোতে ব্রি ধান-৪৯, ব্রি ধান-৫১, ব্রি ধান ৫২ প্রতি পণ ৫ থেকে ৬শ টাকা পণে বিক্রি করতে দেখা গেছে। এছাড়াও আতপ চাল (সাল্লে) প্রতি পণ ৯শ থেকে ১১শ টাকা পণে বিক্রি হচ্ছে।

এ বিষয়ে খাবুলিয়া এলাকার জাহিদুল ইসলাম, মহেশপাড়া এলাকার তোজাম বেপারী, ভিকনেরপাড়া এলাকার জোসনা বেগম জানান, এবারের বন্যার পর হাটে বাজারে ধানের চারার আমদানী থাকলেও দাম অনেক বেশি। কৃষকেরা ধানের চারা কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।

এদিকে কৃষি বিভাগ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকদের মাঝে বিনামূল্য বীজ বিতরণের জন্য ওই উপজেলায় ১২০ বিঘা জমিতে ধানের চারা (বীজ) বপন করেছে। রোপনকৃত ওই চারা দিয়ে ১৮শ বিঘা জমিতে অতিরিক্ত আমন ধান চাষ করা সম্ভব হবে। চলতি সপ্তাহে কৃষি বিভাগ কৃষকের মাঝে চারা বিতরণ শুরু করবে। প্রতি জন কৃষক ১ বিঘা জমিতে রোপনের জন্য বিনামূল্য চারা বিতরণ করবে।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ মাসুদ আহমেদ জানান, চলতি বছর সোনাতলায় কৃষক ৬২৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের বীজতলা তৈরি করেছিল। বন্যায় ৪শ হেক্টর জমির বীজতলা নষ্ট হয়ে যায়। কৃষক ঘুরে দাঁড়াতে আবারও বন্যার পর নতুন করে বীজতলায় বীজ বপন করলেও দাম অনেক বেশি। তবে ধানের চারা সংকট কাটাতে কৃষি বিভাগ এবার ১৮শ কৃষককে বিনামূল্য ধানের চারা বিতরণ করবে।

No comments

Leave a Reply

1 + fourteen =

সর্বশেষ সংবাদ