Menu

সোনাতলায় হামলাকারীদের গ্রেফতারের দাবিতে শাহিনের সাংবাদিক সম্মেলন

আব্দুর রাজ্জাক, সোনাতলাঃ বগুড়ার সোনাতলায় হামলাকারী ও মামলার অভিযুক্ত আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে আব্দুল লতিফ শাহিনের সাংবাদ সম্মেলন।

৩জুন শনিবার সোনাতলা অস্থায়ী প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব‍্য পাঠ করেন, উপজেলার পূর্ব তেকানী গ্রামের মৃত আলতাফ হোসেনের ছেলে আব্দুল লতিফ শাহিন। তিনি তার লিখিত বক্তব‍্যে

উল্লেখ করেন, উপজেলার পূর্ব তেকানী গ্রামের মৃত সিদ্দিক হোসেন আকন্দের ছেলে সাইদুল ইসলাম পুর্তি (৪০), মোঃ আবুল কালাম (৫২), মোঃ জাহিদুল ইসলাম (৫০), মোঃ আবুল কালামের ছেলে মোঃ পারভেজ, মোঃ সাইদুল ইসলাম পুতির স্ত্রী মোছাঃ কল্পনা বেগম (৩৭), মোঃ আবুল কালামের স্ত্রী মোছাঃ পারভীন বেগম (৪৫) ও মোঃ জাহিদুল ইসলামের স্ত্রী চাম্পা বেগম (৪৫) দের সাথে পূর্ব হতে জমিজমা ও পারিবারিক বিষয়াদি নিয়ে তাদের বিরোধ চলে আসছে।

এই বিরোধের জের ধরে উল্লেখিত ব্যক্তিগণ অজ্ঞাত আরও ২/৩ জনসহ পূর্ব পরিকল্পনা মোতাবেক দলবন্ধ হয়ে ৩০ জুন, বুধবার দুপুরে লোহার রড, বাঁশের লাঠি, বটি, শাবল, নাসহ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তাদের বসতবাড়ির খুলিয়ানে প্রবেশ করে তাদেরকে উদ্দেশ্য করে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

তিনি তাদেরকে গালিগালাজ করতে নিষেধ করলে জাহিদুল ইসলামের নির্দেশে সাইদুল ইসলাম পুতি ধারালো বটি দিয়ে তাকে (শাহিন) কে হত্যার উদ্দেশ্যে আঘাত করে। এতে তিনি গুরুতর জখম হয়। এর উপর পুনরায় লোহার রড দিয়ে তার পায়ে আঘাত করে আবুল কালামের ছেলে পারভেজ।

 

উপরে উল্লেখিত অন্যান্যরা তাকে এলোপাতারি ভাবে মারপিট করে গুরুতর জখম করে। তাকে রক্ষার জন্য স্ত্রী উন্মে কুলসুম (ইউনিয়ন পোষ্ট মাষ্টার এগিয়ে গেলে জাহিদুল ইসলাম, আবুল কালাম তাকে টানা হেচড়া করে মাটিতে ফেলে দিয়ে বুকে পাজরে লাঠি দ্বারা আঘাত করে ও শ্লীলতাহানীর চেষ্টা করে। তার স্ত্রী উম্মে কুলসুমকে রক্ষার জন্য বড় ভাইয়ের স্ত্রী ছাবিনা ইয়াসমিন এগিয়ে গেলে তারা তাকেও মারধর করে জখম করে।

 

একপর্যায়ে তারা ছাবিনা ইয়াসমিনের গলায় থাকা ৮ আনি ওজনের ৩৫ হাজার টাকা মূল্যের স্বর্ণের চেইন কৌশলে চুরি করে। তারা তাকেও শ্লীলতাহানির চেষ্টা করে। বড় ভাইয়ের স্ত্রীকে রক্ষায় তার ছেলে মোঃ ইফতেখাইরুল ইসলাম সোহান এগিয়ে গেলে তারা তাকেও ব্যাপক মারপিট করে। পরে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসলে তারা ভয়ভীতি প্রদর্শন ও হুমতি দিয়ে এলাকা ত্যাগ করে।

 

গত ০১-০৭-২১ তারিখে এ ঘটনায় ৭ জনকে নামীয়সহ আরও ২/৩ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে শাহিনের বড় ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে সোনাতলা থানায় মামলা দায়ের করেছেন। অধ‍্যবধি সোনাতলা থানা পুলিশ কোন আসামীকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়নি। তিনি সহ অন্যান্য আহতরা সোনাতলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

এবিষয়য়ে থানা অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম রেজার সাথে কথা বললে তিনি জানান, জমাজমির বিষয় নিয়ে উভয় পক্ষের মারপিটের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের হয়েছে দ্রূত আসামী গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।

No comments

Leave a Reply

3 × three =

সর্বশেষ সংবাদ