Menu

সোনাতলায় ৩০ বছর আগে বিলীন হওয়া সড়ক সংস্কারঃ জনমনে স্বস্তি

সোনাতলা সংবাদ ডটকম (বদিউদ-জ্জামান মুকুল, সোনাতলা): ৮৮ সালের বন্যায় বিলীন হয়ে যাওয়া বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার ঠাকুরপাড়া বুড়ামেলা-দক্ষিণ বয়ড়া সড়কটি (মাত্র ১ কিলোমিটার) সড়কটি সংষ্কার হলো অবশেষে ৩০ বছর পর। সেই সাথে জনমনে ফিরে এলো স্বস্তি। তবে সড়কটি রক্ষায় অচিরেই প্যারাসাইটিং করার দাবি উঠেছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের প্রচেষ্টায় বগুড়ার সোনাতলা উপজেলার জোড়গাছা ইউনিয়নের জনগুরুত্বপূর্ণ ঠাকুরপাড়া বুড়ামেলা থেকে দক্ষিণ বয়ড়া পর্যন্ত মাত্র ১ কিলোমিটার সড়কটি ১৯৮৮ সালের বন্যায় সম্পূূর্ণ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। ফলে ৮টি ইউনিয়নের প্রায় লক্ষাধিক মানুষের পাশাপাশি পথচারী ও স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীকে প্রায় ৬ কিলোমিটার পথ ঘুরে ঘুরে যাতায়াত করতে হতো।
সরকার আসে, সরকার যায় তাদের দলীয় নেতাকর্মী ও এমপিরা প্রতিশ্রুতি দিলেও কেটে যায় এভাবেই ৩০টি বছর। অবশেষে বিষয়টি স্থানীয় এলাকাবাসী সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের গোচরে আনে। সুখদহ নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়া জনগুরুত্বপূর্ণ সড়কটি পূনঃ নির্মাণ করতে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে তাৎক্ষনিক নির্দেশনা দেন আব্দুল মান্নান।
পানি উন্নয়ন বোর্ড নদী খনন প্রকল্পের আওতায় রাস্তাটি পুনঃ সংস্কার কাজ মাত্র ১৫ দিনে সম্পূর্ণ করে পুরো রাস্তাটি চলাচলের উপযুক্ত করে তোলে। বর্তমানে ওই সড়ক দিয়ে সকল প্রকার যানচলাচল সহ পথচারীরা খুব অল্প সময়ে এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যাতায়াত করছে।
৮৮ সালের বন্যায় বিলীন হয়ে যাওয়া সড়কটি পুনরায় যাতায়াতের উপযোগী হওয়ায় এলাকাবাসীদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
ভয়াবহ ওই বন্যায় রাস্তাটি সুখদহ নদীতে বিলীন হয়ে যাওয়ার পর এলজিইডির কাচা সড়কের তালিকা থেকে রাস্তাটি বাদ পড়ে যায়।
এ ব্যাপারে স্থানীয় ঠাকুরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা তোজাম্মেল হক, ছফুর আলী, ডাঃ শাফি, হাটকরমজা এলাকার সাইদুর রহমান, গনসারপাড়া এলাকার শাহাদতজামান লিটন, পশ্চিম করমজা গ্রামের শাজাহান আলী জানান, সুখদহ নদীর তীরবর্তী রাস্তাটি রক্ষার জন্য এলজিইডিকে দ্রুত প্যারাসাইটিং এর কাজ করতে হবে। নতুবা আবারও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যেতে পারে ওই সড়কটি।
এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান এড. মিনহাদুজ্জামান লীটনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, জনস্বার্থে রাস্তাটি স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নানের প্রচেষ্টায় পুনঃ সংষ্কার করা সম্ভব হয়েছে। তার সহযোগিতা নিয়ে আবারও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্যারাসাইটিং করার নির্দেশনা প্রদান করা হবে।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ মোখলেছুর রহমান জানান, রাস্তাটি তাদের কিনা সেটা খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ দিকে ওই রাস্তার সীমানা পর্যন্ত ৯শ মিটার কাঁচা রাস্তা কার্পেটিং করতে এলজিইিডি ইতিমধ্যেই সলিং পর্যন্ত কাজ শেষ করেছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আব্দুল মান্নান জানান, বিলীন হয়ে যাওয়া রাস্তাটি সংস্কার করতে পেরেছি খুব অল্প সময়ের মধ্যেই রাস্তাটি কার্পেটিংয়ের আওতায় আনা হবে।

No comments

Leave a Reply

three × two =

সর্বশেষ সংবাদ